মে ১৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পণ্য ও পরিষেবার সামগ্রিক মানোন্নয়নে একটি পদ্ধতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চীন। দেশটির নীতিনির্ধারক ও শিল্প পর্যবেক্ষকদের মতে, চীনা পণ্য থেকে ব্র্যান্ডে রূপান্তরের এই প্রক্রিয়া পৌঁছেছে এখন নতুন উচ্চতায়।
গেল সোমবার চীনের শিল্প ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বস্ত্র শিল্পের জন্য একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০২৮) উন্মোচন করেছে। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে অন্তত ২৫টি শীর্ষস্থানীয় অভ্যন্তরীণ ব্র্যান্ড তৈরি করা, যা বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রতিযোগিতা করবে।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বস্ত্র শিল্প চীনের অর্থনীতির একটি প্রধান স্তম্ভ। এটি কেবল কর্মসংস্থানই সৃষ্টি করে না, বরং বৈশ্বিক অঙ্গণে চীনের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধও ছড়িয়ে দেয়।
চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০২৬-২০৩০) অংশ হিসেবে গুণগত মান বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, শিল্প শৃঙ্খলের ২৫ হাজার প্রযুক্তিগত জটিলতা সমাধান করা হয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প 'বাইহেতান'-এ প্রতিটি নির্মাণ ধাপের জন্য 'ডিজিটাল আইডি কার্ড' ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি বয়স্ক ও শিশুদের যত্নসহ জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সেবা খাতের অবকাঠামো আধুনিকায়নের জন্য ২০২৬ সালের একটি বিশেষ কার্যপরিকল্পনা ঘোষণা করে।
শিল্প পর্যবেক্ষকদের মতে, চীন এখন ‘চীনা গতি’ থেকে ‘চীনা গুণগত মান’ এবং ‘চীনা পণ্য’ থেকে ‘চীনা ব্র্যান্ড’র দিকে ধাবিত হচ্ছে। এই রূপান্তর কেবল চীনের উচ্চমানের প্রবৃদ্ধিকেই ত্বরান্বিত করবে না, বরং বিশ্বজুড়ে ভোক্তাদের আরও উন্নত মানের পণ্য ও পরিষেবা প্রদান করবে।
শুভ/লুৎফর
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া