চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, আজ (সোমবার) সকালে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা’র আমন্ত্রণে, তাঁর সঙ্গে এক ফোনালাপে মিলিত হন।
ফোনালাপে সি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন-ব্রাজিল অভিন্ন কল্যাণের সমাজ নির্মাণ এবং দু’দেশের উন্নয়ন-কৌশলের সংযুক্তিতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে, যা দু’দেশের উন্নয়ন ও দু’দেশের জনগণের কল্যাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। চলতি বছর চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী এবং চীনের ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা’ পরিকল্পনার সূচনা-বছর। এ সময় চীন, ব্রাজিলের সাথে, দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কৌশলগত সমন্বয় আরও জোরদার করে, দু’দেশের অভিন্ন কল্যাণের সমাজ বিনির্মাণের সুষ্ঠু ধারা বজায় রাখতে চায়।
সি জোর দিয়ে বলেন, নতুন পরিস্থিতি ও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে, চীন ও ব্রাজিলের উচিত, বিশ্ব প্রশাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ করা এবং আন্তর্জাতিক ন্যাযতা ও ন্যায়বিচার রক্ষা করার জন্য আরও বেশি গঠনমূলক ভুমিকা পালন করা। চীন ব্রাজিলের আন্তর্জাতিক অবস্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশক্তির স্বীকৃতি দেয়। ব্রাজিলকে নিজের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দেশটির ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেয় চীন।
জবাবে লুলা বলেন, ব্রাজিল ও চীন আরও ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব এবং আরও টেকসই পৃথিবীর অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ার কাজে অগ্রগতি অর্জন করেছে। দু’দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ আবার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। তাঁর দেশ চীনের সাথে এআই ও জ্বালানি খনিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা জোরদার করার প্রত্যাশা করে এবং আরও বেশি চীনা প্রতিষ্ঠানের ব্রাজিলে বিনিয়োগকে স্বাগত জানায়।
তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল চীনের সাথে বহুপক্ষীয় সমন্বয় ঘনিষ্ঠতর করতে, জাতিসংঘের ক্ষমতা রক্ষা করতে, ব্রিকসের ঐক্য ও সহযোগিতা জোরালো করতে, দৃঢ়তার সাথে বহুপক্ষবাদকে রক্ষা করতে, শক্তির রাজনীতির বিরোধিতা করতে, সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে তপ্ত সমস্যা সমাধানে অবিচল থাকতে, যৌথভাবে আন্তর্জাতিক ন্যাযতা ও ন্যায়বিচার এবং বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে ইচ্ছুক।
সূত্র: সিএমজি