কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে আশাবাদী চীন। মঙ্গলবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়াখুন।
কুও ঘোষণা করেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই তিন দেশের আমন্ত্রণের প্রেক্ষিতে ২২ থেকে ২৬ এপ্রিল কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার সফর করবেন।
মুখপাত্র বলেন যে, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার— এই তিন দেশ চীনের বন্ধু ও প্রতিবেশী।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং এ তিন দেশের নেতাদের কৌশলগত দিক-নির্দেশনায় চীন ও দেশগুলোর ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী সমাজ গড়তে টেকসই ও স্থিতিশীল অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘শতাব্দিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করে এমন রূপান্তর উন্মোচিত হচ্ছে দ্রুত গতিতে, যা কিনা আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য আরও ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ বয়ে নিয়ে আসছে। একই সময়ে, তিনটি দেশই উন্নয়নের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। কম্বোডিয়া তার ‘পেন্টাগোনাল স্ট্র্যাটেজি’ বাস্তবায়নের পথে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। তবে বেশি দিন হয়নি থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের নতুন সরকার গঠিত হয়েছে’।
কুও চিয়াখুন বলেন, ‘তাই এই সফরের মাধ্যমে দেশগুলোর নেতাদের মাঝে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাস্তবায়ন, ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতা গভীরে নিয়ে যাওয়া, চীন-কম্বোডিয়ার অটুট বন্ধুত্বকে সুসংহত করা, চীন ও থাইল্যান্ডের মধ্যে পারিবারিক আবহের সম্পর্ককে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া, চীন ও মিয়ানমারের মধ্যে 'পাউকফাও' (ভ্রাতৃপ্রতীম) বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়া যাবে বলে আশা রাখে চীন।
সাকিব/নাহার
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি