মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে ওয়াশিংটন-তেহরান সংলাপের অগ্রগতি এবং সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে কাতারের সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কৃতজ্ঞ। শান্তিচুক্তির প্রশ্নে তেহরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় ওয়াশিংটনের জন্য কাতার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।
একই দিনে শেখ মোহাম্মদ মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি -এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে এই সংবেদনশীল সময়ে দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান।
মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় পক্ষ বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনৈতিক পথকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেন এবং আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
দুই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাজনৈতিক সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর পথ এবং এর মাধ্যমে অঞ্চলের জনগণের স্বার্থ ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব।
সূত্র: সিএমজি বাংলা