চীনের সামুদ্রিক পরিবেশগত অবস্থা সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে এবং কিছু অঞ্চলে উন্নতির লক্ষণ দেখা গেছে। এমনটিই জানা গেছে সোমবার প্রকাশিত দেশটির সরকারি প্রতিবেদন থেকে।
বিশ্ব মহাসাগর দিবস এবং চীনের জাতীয় মহাসাগর সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এদিন চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় ‘২০২৫ চায়না মেরিন ইকোলজিক্যাল আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড মনিটরিং বুলেটিন’ এবং ‘২০২৫ ন্যাশনাল সিওয়াটার ইউটিলাইজেশন রিপোর্ট’ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন দুটিতে বলা হয়, চীনের প্রবাল প্রাচীর, সামুদ্রিক ঘাসের আবাসস্থল, ম্যানগ্রোভ বন এবং দ্বীপভিত্তিক বাস্তুতন্ত্রের সামগ্রিক অবস্থা ভালো রয়েছে।
এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ উপসাগর ও মোহনাগুলোর জীববৈচিত্র্য এবং সামুদ্রিক জীব সম্প্রদায়ের কাঠামোও স্থিতিশীল রয়েছে। প্রধান জীবগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি এবং সমুদ্রতলের পরিবেশও ভালোভাবে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, সামুদ্রিক অর্থনীতি ও সমুদ্রের পানি ব্যবহারের খাত স্থিতিশীলভাবে এগিয়ে গেলেও কিছু পরিবেশগত ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চ তাপমাত্রা, শৈবালের অতিবৃদ্ধিজনিত ‘গ্রিন টাইড’ এবং কিছু অঞ্চলে সামুদ্রিক জীবের অস্বাভাবিক বিস্তার।
এদিকে সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ বা লবণমুক্তকরণ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। ২০২৫ সালে চীনে মোট ১৬৭টি সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
এ সব প্রকল্পের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা দৈনিক ৩০ লাখ ৭৭ হাজার টনে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ লাখ ২১ হাজার টন বেশি।
সূত্র: সিএমজি বাংলা