মে ১১, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের শুল্কমুক্ত নীতিকে ঘিরে নতুন আশায় বুক বাঁধছেন ক্যামেরুনের ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকরা। ১ মে থেকে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা চালু করেছে চীন। এর ফলে কাঠ, কোকো, কফি ও খনিজপণ্যের মতো ক্যামেরুনের বিভিন্ন পণ্যের জন্য চীনের বাজারে প্রবেশ আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই নীতির আওতায় আফ্রিকার ৫৩টি দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আর এটি শুধু রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ নয়, বরং তা স্থানীয় শিল্প উন্নয়ন ও কাঁচামালের পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ দিচ্ছে।
চীন-ক্যামেরুন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সমিতির সভাপতি মার্লিন মানফো বলেন, ক্যামেরুনের ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যেই চীনে রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি জানান, তাদের প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঠ, কোকো, কফি, ভোজ্যতেল এবং স্বর্ণ ও কোবাল্টের মতো খনিজ সম্পদ।
তিনি আরও বলেন, কাঁচামাল রপ্তানির চেয়ে প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি বেশি লাভজনক। এতে দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি মূল্য সংযোজন সম্ভব হবে।
দীর্ঘদিন ধরে আফ্রিকার পণ্য বিশ্ববাজারে উচ্চ শুল্ক, কঠোর মানদণ্ড এবং জটিল বাণিজ্য প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছে। চীনের এই নতুন শুল্কমুক্ত সুবিধা সেই বাধাগুলো অনেকটাই কমিয়ে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীন-আফ্রিকা বাণিজ্য ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৩৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে আফ্রিকা থেকে চীনে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১২৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। নতুন নীতি কার্যকর হওয়ায় ক্যামেরুনসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ এখন রপ্তানি আরও বাড়ার প্রত্যাশা করছে।
নাহার/সাকিব
তথ্য ও ছবি-সিসিটিভি