মে ১২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: ক্রমাগত জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ২০২৬ সালে প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলে ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে আসন্ন বন্যা মৌসুমে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও টাইফুনজনিত ঢেউয়ের প্রকোপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হতে পারে। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সামুদ্রিক জানমাল রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এল নিনোর প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপজ্জনক জলোচ্ছ্বাসের হার বাড়বে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘প্রতিরোধই প্রথম’ নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়নের মাধ্যমে জলোচ্ছ্বাস ও সমুদ্রের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ার মতো দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা প্রচারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রণালয় কেবল প্রযুক্তি নয়, বরং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় এবং জনসচেতনতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে। বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্যোগের বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সামুদ্রিক দুর্যোগ সম্পর্কে শিক্ষিত ও সচেতন করতে প্রচার অভিযান ও প্রশিক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগতভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছে এই সভা। বিশেষ করে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং লোনা পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়া ঠেকাতে কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
শুভ/লুৎফর
তথ্য ও ছবি: চায়না ডেইলি