চলতি বছর জ্বালানি সংরক্ষণে অগ্রগতির ব্যারোমিটার উঁচুতেই ধরে রেখেছে চীন। স্থাপিত সক্ষমতা তো বাড়ছেই, সেই সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারও বাড়ছে।
দক্ষিণ চীনের চাওছিং শহরে চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম ভ্যারিয়েবল-স্পিড পাম্পড-স্টোরেজ ইউনিটে সম্প্রতি বৈদ্যুতিক স্থাপন কাজ শুরু হয়েছে। ইউনিটটি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার ঘনমিটার পানি জলাধারে সংরক্ষণ করে। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সেই পানি থেকে তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ।
চলতি বছরের মার্চের শেষ পর্যন্ত চীনের পাম্পড-স্টোরেজ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট স্থাপিত সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৬৭.০৯ গিগাওয়াটে। প্রথম প্রান্তিকে এসব কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ ছিল ২১.৪ টেরাওয়াট-ঘণ্টা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
পূর্ব চীনের হুয়াই’আন শহরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কমপ্রেসড-এয়ার এনার্জি স্টোরেজ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বর্তমানে গ্রিডে সংযোগের আগে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।
মার্চের শেষ নাগাদ চীনে নতুন ধরনের জ্বালানি সংরক্ষণের মোট স্থাপিত সক্ষমতা ১৪০ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
বর্তমানে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি-ভিত্তিক জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তি বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিক ব্যবহারের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া সলিড-স্টেট ব্যাটারি ও হাইড্রোজেনভিত্তিক জ্বালানি সংরক্ষণের মতো উদ্ভাবনী প্রযুক্তিও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: সিএমজি