এপ্রিল ২৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো একত্রিত হয়েছে বেইজিং আন্তর্জাতিক অটোমোটিভ প্রদর্শনীতে। ভবিষ্যতের স্মার্ট গাড়ি প্রযুক্তি ও শিল্প সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে এই আয়োজনে।
‘বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যত’—এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের প্রদর্শনীতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিসম্পন্ন বৈদ্যুতিক গাড়ি, যার মধ্যে লেভেল-৩ স্বয়ংচালিত সুবিধাযুক্ত গাড়িও রয়েছে। ৩ লাখ ৮০ হাজার বর্গমিটার প্রদর্শনী এলাকা নিয়ে এটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অটো শো। যেখানে এখন প্রায় দেড় হাজার অত্যাধুনিক গাড়ি প্রদর্শিত হচ্ছে, যার ১৮১টি প্রথমবারের মতো উন্মোচিত মডেল এবং এতে কনসেপ্ট কার আছে ৭১টি।
ফরাসি অটোমোটিভ যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী ভ্যালিও জানিয়েছে, তাদের গত বছরের ৬৩ শতাংশ অর্ডারই এসেছে চীনা গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে।
ভ্যালিও’র প্রধান যোগাযোগ ও টেকসই উন্নয়ন কর্মকর্তা ফ্রাঁসোয়া মারিওঁ জানালেন, ‘চীনের বাজার আমাদের জন্য বড় সুযোগ। আমরা এখানে আমাদের উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করতে চাই।’
অন্যদিকে, চীনা স্বয়ংচালিত প্রযুক্তি কোম্পানি কিউক্রাফট ইতোমধ্যে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে তাদের প্রযুক্তি সম্প্রসারণ শুরু করেছে।
কিউক্রাফট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইউ ছিয়ান বললেন, ‘চীনের বাজারে নতুন প্রযুক্তি দ্রুত প্রয়োগ করা হয়। আমরা চাই চীনের উদ্ভাবনকে বিশ্বের সঙ্গে আরও শক্তভাবে যুক্ত করতে।’
আমেরিকান অটোমোটিভ প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপটিভ-এর চেয়ারম্যান ও সিইও কেভিন ক্লার্ক, ব্যাখ্যা করেছেন স্থানীয়করণের প্রয়োজনীয়তা।
অ্যাপটিভ-এর চেয়ারম্যান ও সিইও কেভিন ক্লার্ক জানালেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় অটো বাজার হলো চীন। এখানে টিকে থাকতে হলে প্রকৌশল ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থানীয়ভাবে গড়ে তুলতে হবে।‘
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে চীন এখন গাড়ি শিল্পে শুধু প্রযুক্তি গ্রহণকারী নয়, বরং সমাধান প্রদানকারী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে।
প্রদর্শনীটি চলবে ৩ মে পর্যন্ত
ফয়সল/লুৎফর
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি