চীনের মহাকাশ গবেষণার অন্যতম বড় অর্জন থিয়ানহ্য কোর মডিউল উৎক্ষেপণের পাঁচ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে বুধবার। ২০২১ সালের ২৯ এপ্রিল এই মূল মডিউলটি কক্ষপথে পাঠানোর মাধ্যমে মহাকাশে চীনের স্থায়ী উপস্থিতির পথ সুগম হয়।
এরপর ধারাবাহিকভাবে ওয়েনথিয়ান মডিউল ও ম্যংথিয়ান মডিউল যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ২০২২ সালের শেষদিকে স্পেস স্টেশনটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। বর্তমানে এটি বিশ্বের কক্ষপথে থাকা দুটি সক্রিয় স্পেস স্টেশনের একটি; অন্যটি হলো আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র।
এ পর্যন্ত শেনচৌ মিশনের ১২ থেকে ২১ নম্বর মিশন পর্যন্ত মোট ১০টি নভোচারী দল এই স্টেশনে অবস্থান করেছে। তারা ২৬টি স্পেসওয়াক পরিচালনা করে স্টেশনটির নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং মহাকাশ ধ্বংসাবশেষ প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্থাপন করেছে।
এই স্পেস স্টেশনটি এখন একটি জাতীয় পর্যায়ের মহাকাশ গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে, যেখানে মহাকাশ জীববিজ্ঞান, মাইক্রোগ্রাভিটি পদার্থবিজ্ঞান, মহাকাশ জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পৃথিবী বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে।
চলতি বছরে চীন একটি কার্গো সরবরাহ মিশন এবং দুটি মানববাহী মহাকাশ মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে। ভবিষ্যতে হংকং ও ম্যাকাও –এর নভোচারীদের পাশাপাশি একজন পাকিস্তানি নভোচারীকেও স্বল্পমেয়াদি মিশনে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
চীনের মহাকাশ কর্মসূচির এই অগ্রগতি ভবিষ্যতের আরও বড় পরিকল্পনার অংশ, যার মধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে মানববাহী চাঁদ মিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যও রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা