চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়া খুন আজ (বুধবার) বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জাপানকে সামরিক আগ্রাসনের ইতিহাস নিয়ে গভীর আত্মসমালোচনার তাগিদ দেয় চীন।
কুও চিয়া খুন বলেন যে, জানা গেছে, ওকিনাওয়া প্রদেশের ইয়োনাগুনি শহরের মেয়র ১৩ এপ্রিল জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কোইজুমি শিনজিরোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ইয়োনাগুনি শহরে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনার সঙ্গে একমত পোষণ করেন। এ ঘটনায় চীন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। ‘প্রতিরক্ষা’ ও ‘পাল্টা আক্রমণ’-এর আড়ালে জাপান চীনের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য আক্রমণাত্মক অস্ত্রের মোতায়েন জোরদার করছে, যা কার্যকরভাবে সামরিক সংঘাতের জন্য একটি অগ্রবর্তী দুর্গ তৈরি করছে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় হুমকি সৃষ্টি করছে। আমরা জাপানকে তার আগ্রাসনের সামরিক ইতিহাস নিয়ে গভীরভাবে আত্মবিশ্লেষণ করা, সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তার প্রতিশ্রুতি মেনে চলা এবং কথা ও কাজে সতর্কতা অবলম্বন করার তাগিদ দেই। আন্তর্জাতিক সমাজকে অবশ্যই অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং জাপানের দ্রুত ‘পুনঃসামরিকীকরণ’ ও ‘নতুন ধরনের সামরিকবাদের’ উত্থানকে দৃঢ়ভাবে দমন করতে হবে।
লিলি/তৌহিদ/সুবর্ণা