নভেম্বর ২৯: তাইওয়ান প্রসঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাম্প্রতিক ভুল মন্তব্যের জেরে বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, তাইওয়ান সমস্যা পুরোপুরি চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাকাইচির এমন ভুল মন্তব্য জাপানের ইতিহাসে সংঘটিত ফ্যাসিবাদী অপরাধের প্রতি তাঁর অনুশোচনার অভাবকেই প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত জাপানি সামরিকবাদের পুনরুত্থান সম্পর্কে সতর্ক থাকা।
মিয়ানমার ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের যুগ্ম মহাসচিব খিন মাউং জাও বলেন, ‘এটা সর্বজনবিদিত যে, তাইওয়ান চীনের একটি প্রদেশ মাত্র এবং এটি সম্পূর্ণভাবেই চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। একচীন নীতি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। কিছু জাপানি রাজনীতিবিদ তাঁদের অতীতের ভুলের জন্য কোনো অনুশোচনা দেখান না, বরং তাঁরা সেগুলোর পুনরাবৃত্তির চেষ্টা করছেন।’
কেনিয়া-চীন মৈত্রী গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান শাবির বলেন, ‘কেনিয়ার সরকারি নীতি এবং দেশটি বাস্তবে যে নীতি অনুসরণ করে, তা সর্বদা একচীন নীতি। মনে হচ্ছে জাপান সামরিকবাদকে পুনরুজ্জীবিত করতে চায়। প্রায় একশ বছর পেরিয়ে গেলেও জাপান ইতিহাসের চাকা উল্টো দিকে ঘোরানোর এবং তাদের অতীত সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে।’
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি গতকাল (শুক্রবার) বলেছেন, পাকিস্তান একচীন নীতির প্রতি দৃঢ় আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত করছে এবং ‘দুই চীন’ বা ‘এক চীন, এক তাইওয়ান’ তৈরির যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে।
জিনিয়া/তৌহিদ/ফেই
জাপানি সামরিকবাদের পুনরুত্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.