Monday, May 4, 2026
Live

পশ্চিমা গণমাধ্যমের চোখে: বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে সবচেয়ে বড় বিজয়ী চীন

《习声回响》 德英媒体:中国是当下这场能源危机中的最大赢家

সম্প্রতি জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে সৃষ্ট প্রভাব গত ৫০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের সৃষ্টি করেছে। তবে চীনের সর্বোচ্চ নেতার এক দশক আগে নেওয়া কৌশলগত ও দূরদর্শী জ্বালানি নীতির কারণে, এই সংকটে চীনই সবচেয়ে বড় বিজয়ী হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি জার্মানির সাপ্তাহিক পত্রিকা 'ডের স্পিগেল' তাদের ওয়েবসাইটে 'বর্তমানে, ভবিষ্যতের জ্বালানি নিয়ে লড়াই সত্যিই শুরু হয়েছে' শীর্ষক একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।

নিবন্ধটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘটনা সবচেয়ে বড় জ্বালানি ভোক্তা দেশ অর্থাৎ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোকে এবং একইসঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশগুলোকেও আঘাত করেছে। ফলে তারা সবাই এই সংকটের পরাজিত পক্ষে পরিণত হয়েছে। আর বিজয়ী হয়েছে কেবল চীন—যে দেশটি একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি ভোক্তা এবং জ্বালানি উৎপাদনকারী। নিবন্ধে বলা হয়েছে, বেইজিং এ ধরনের সংকট মোকাবিলার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। তারা শুধু দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতই রাখেনি, বরং বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রপাতি উৎপাদনেও নেতৃত্ব দিচ্ছে। ফটোভোলটাইক, বায়ুশক্তি, ব্যাটারি স্টোরেজ, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড উপাদানসহ বিভিন্ন খাতে তাদের বিশ্ববাজারের হিস্যা ৭০ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের 'ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস'-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি নীতি সমন্বয়ে চীন কৌশলগত দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে। ২০১৪ সালের গ্রীষ্মে চীনের সর্বোচ্চ নেতা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, দেশটির জ্বালানি ব্যবস্থা "প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে আছে" এবং তিনি এর সম্পূর্ণ আধুনিকীকরণ ও উন্নয়নের নির্দেশ দেন। এরপর গৃহীত একাধিক পদক্ষেপের ফলে মাত্র ১০ বছরের মধ্যে চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই চীন ৩১৮ গিগাওয়াট নতুন ফটোভোলটাইক ক্ষমতা সংযোজন করেছে, যা জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার মোট অ-নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার যোগফলকেও ছাড়িয়ে গেছে।

(শুয়েই/তৌহিদ/তুহিনা)

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন।

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.