চীনের তাইওয়ান অঞ্চলের নেতা লাই চিং-তে, গতকাল (শনিবার) এসওয়াতিনি রাজ্যের রাজার ব্যক্তিগত বিমানে চড়ে, সেদেশে পৌঁছান। এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ই-লান ভূমিকম্পের ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই, লাই তাইওয়ানের বাসিন্দাদের বিপদ উপেক্ষা করে, একটি বিদেশি বিমানে চড়ে গোপনে দ্বীপ থেকে নিজেকে অনেকটা ‘পাচার’ করে নিয়ে যান। এর মাধ্যমে তিনি জনগণের করের অর্থ অপচয় করেন এবং বিশ্ববাসীর সামনে একটি হাস্যকর নাটকের অবতারণা করেন। এই ঘটনা কলঙ্কজনক ‘স্বাধীন তাইওয়ান’ বিচ্ছিন্নতাবাদী অপতত্পরতার ইতিহাসে আরও একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করল।
মুখপাত্র বলেন, লাই চিং-তে এবং তার সমমনা ব্যক্তিদের এই অশালীন ও মর্যাদাহানিকর কার্যকলাপ আবারও প্রমাণ করে যে, ‘এক-চীন নীতি’ দীর্ঘকাল ধরেই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি মৌলিক মানদণ্ড এবং সর্বজনস্বীকৃত আন্তর্জাতিক ঐকমত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি)-র কর্তৃপক্ষ বাইরের শক্তির সাথে যতই আঁতাত করুক না কেন এবং সেইসব ব্যক্তিদের নিজেদের বেতনভুক্ত করে রাখুক না কেন—এটি সর্বদা একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা হিসেবেই গণ্য হবে। এই অমোঘ সত্যটি কখনোই পরিবর্তিত হবে না যে, তাইওয়ান চীনেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।
চীন এসওয়াতিনি-র মতো কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশকে, ইতিহাসের গতিপথ কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে তা অনুধাবন করতে এবং ‘স্বাধীন তাইওয়ান’ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতিয়ার বা অবলম্বন হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানাচ্ছে। সূত্র: সিএমজি বাংলা