চীনের মহাকাশ গবেষণা ও সাফল্য সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের হাতে–কলমে শিক্ষা দিতে বেইজিংয়ে চালু হয়েছে একটি নতুন মহাকাশ বিজ্ঞান কেন্দ্র।
চায়না (বেইজিং) অ্যারোস্পেস সায়েন্স সেন্টার নামের কেন্দ্রটি বেইজিংয়ের ছাংপিং জেলায় একটি বড় পার্কধাঁচের বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সের ভেতরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রায় ৩,৭০০ বর্গমিটার আয়তনের এই কেন্দ্র মূলত ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী দর্শনার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
কেন্দ্রটিতে মহাকাশ প্রযুক্তির বাস্তব উপাদান ও ইন্টারঅ্যাকটিভ বিনোদনের সমন্বয় করা হয়েছে। এখানে ছয়টি থিমভিত্তিক জোন রয়েছে, যেখানে মানবজাতির মহাকাশ অভিযানের ধারাবাহিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
এতে মহাকাশ গবেষণার ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দেখানো হয়, যেখানে চীনের মহাকাশ অভিযানের বিভিন্ন ধাপ বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
দর্শনার্থীরা এখানে রকেট উৎক্ষেপণের কাউন্টডাউন সিমুলেশন, স্যাটেলাইটের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর বিশ্লেষণ এবং একটি মহাকাশ মিশনের প্রকৌশল প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারে।
কেন্দ্রটির অন্যতম আকর্ষণ হলো চীনের মহাকাশ স্টেশন থিয়ানকং স্পেস স্টেশনের মূল মডিউলের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরূপ। চন্দ্রপৃষ্ঠ অভিজ্ঞতা এলাকায় দর্শনার্থীরা চাঁদে অবতরণের পোশাক পরে দেখা, সিমুলেটেড চন্দ্রযান চালানো এবং মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়ার মডেল পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়।
এখানে রয়েছে প্রায় ৩০ মিটার দীর্ঘ রকেট প্রদর্শনী, মহাকাশ স্টেশন সংযোজনের হলোগ্রাফিক প্রদর্শনী, চাঁদে ঘাঁটি নির্মাণের ইন্টারঅ্যাকটিভ গেম এবং চীনের প্রথম মঙ্গল রোভার চুরোংয়ের পূর্ণাঙ্গ মডেল।
কেন্দ্রটিতে চারটি বিশেষায়িত অ্যারোস্পেস ল্যাবও রয়েছে, যেখানে আসল গবেষণা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
ফয়সল/নাহার
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া