জানুয়ারি ৩: খ্রিস্টীয় নববর্ষের প্রাক্কালে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং নববর্ষের ভাষণ দেন, যেখানে “বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের প্রচার এবং মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটির গঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার” বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়। তার ভাষণ ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে মানুষের মধ্যে গভীরভাবে অনুরণিত হয়েছে, যা বিশ্বের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার জন্য চীনের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটায়। অনেক দেশের কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ এবং পণ্ডিতরা চায়না মিডিয়া গ্রুপের বহুভাষিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভাষণটি শুনেছেন এবং দেখেছেন, চীনের উন্নয়ন অর্জন ও একটি প্রধান শক্তি হিসেবে এর দায়িত্বের প্রশংসা করেছেন। তারা প্রেসিডেন্ট সি’র বিশ্বব্যাপী উদ্যোগের নির্দেশনায় বাস্তব সহযোগিতা আরও গভীর করার এবং যৌথভাবে মানবজাতির উন্নত ভবিষ্যত গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
২০২৫ সাল চীনের চতুর্দশ পাঁচশালা পরিকল্পনার সমাপ্তি বর্ষ। চীনের উন্নয়নের অর্জন এবং নীতিমালা মেনে চলা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে একটি আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। শ্রীলঙ্কার কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক জি. উইরাসিংহে ২০২৫ সালের মধ্যে চীনের ১৪০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান অর্থনৈতিক উৎপাদনের প্রশংসা করেছেন। তিনি মনে করেন, এটি চীনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের দৃঢ় স্থিতিস্থাপকতাকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত করে। থাইল্যান্ডের ধুরাকিজ পন্ডিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রশাসন বিভাগের ভাইস ডিন কিত্তিকা সাওয়েটামোর্নকু উল্লেখ করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট সি’র শুভেচ্ছা বার্তায় চীন “গুণমান, উদ্ভাবন, জনগণের মঙ্গল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা”কে অগ্রাধিকার দিয়ে এর নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং উন্নয়ন স্থিতিশীলতা প্রতিফলিত করে।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক শাসনের ক্ষেত্রে, চীনের প্রতিশ্রুতি ব্যাপকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। কেনিয়ার মুখ্যমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসালিয়া মুদাভাদি তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যে, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ আফ্রিকান শিল্পায়ন এবং চীন-আফ্রিকান বাণিজ্য সহযোগিতাকে অব্যাহতভাবে উৎসাহিত করবে এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, চীন আফ্রিকান ইউনিয়নের ২০৬৩ সালের এজেন্ডার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ‘গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’কে এগিয়ে নিয়ে যাবে, যাতে যৌথভাবে আরও ন্যায়সঙ্গত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়।
ভৌগোলিকভাবে যতই দূরে থাকুক বা সভ্যতা যতই আলাদা হোক না কেন, প্রেসিডেন্ট সি’র বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের প্রচার এবং মানবজাতি অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটির গঠনকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সকল দেশের সাথে কাজ করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি বিশ্বকে সংযুক্তকারী একটি আধ্যাত্মিক বন্ধনে পরিণত হয়েছে।
(লিলি/হাশিম/স্বর্ণা)
সি চিন পিংয়ের নববর্ষের ভাষণের প্রশংসা আন্তর্জাতিক মহলের
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.