জুলাই ১: চলতি বছর চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী। সিপিসি, চীনা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও নেতৃত্ব দিয়ে, উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে এবং সফলভাবে তার প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাগুলোকে জাতীয় শাসনের কার্যকারিতায় রূপান্তরিত করেছে। সিপিসি কেন সবসময় তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে সক্ষম হয়? চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন), বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের উত্তরদাতাদের মধ্যে একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করেছে সম্প্রতি, যেখানে ১১ হাজার ৫২১ জন উত্তরদাতা তাদের মতামত দিয়েছেন।
চতুর্দশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলাকালীন, চীনের জিডিপি ১৪০ ট্রিলিয়ন ইউয়ানেরও বেশি ছিল। মাথাপিছু ব্যবহারযোগ্য আয় বার্ষিক গড়ে ৫.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, শহরে কর্মসংস্থান ৬২.৪২ মিলিয়ন বৃদ্ধি পায়, এবং গড় আয়ু ৭৯ বছরের বেশি হয়। বিশ্বব্যাপী উত্তরদাতাদের ৬৩.৯ শতাংশ মনে করেন, চীনের আধুনিকীকরণের সাফল্য সিপিসি-র বৈজ্ঞানিক শাসনের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।
সিপিসি-র বহুবিধ শাসন অভিজ্ঞতার মধ্যে, উত্তরদাতারা সাধারণভাবে মনে করেন যে, ‘জনগণের জীবনযাত্রার মান সুরক্ষা ও উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া’, ‘মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’, ‘একটি কার্যকর দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা’, এবং ‘প্রধান কাজগুলোতে প্রচেষ্টা কেন্দ্রীভূত করার জন্য দক্ষতার সাথে সম্পদ একত্রিত করা’—এই বিষয়গুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, সিজিটিএন এবং রেনমিন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না-র নতুন যুগে আন্তর্জাতিক প্রচার গবেষণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জরিপে, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের ১১ হাজার উত্তরদাতার মতামত তুলে ধরেছে। জরিপটি প্রধান উন্নত দেশ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেখানে উত্তরদাতারা ছিলেন ১৮ বছর বা আরও বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক এবং নমুনাটি প্রতিটি দেশের আদমশুমারির বয়স ও লিঙ্গ বণ্টনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। (ছাই/আলিম/ওয়াং হাইমান)