Wednesday, July 1, 2026
Live

চেরি থেকে কাঠ; সিছুয়ানের পাহাড় থেকে সবই নামছে ড্রোনে

সিএমজি
সিএমজি বাংলা বিভাগ
Published: Updated:
চেরি থেকে কাঠ; সিছুয়ানের পাহাড় থেকে সবই নামছে ড্রোনে

চীনের সিছুয়ান প্রদেশের পাহাড়ি কৃষির নিত্যসঙ্গী এখন ড্রোন। প্রদেশটির চেরি কিংবা কাঠ; পাহাড় থেকে সবই নামছে আকাশপথে। আগে মোটরসাইকেলে নামাতে গিয়ে নষ্ট হতো ১৫ শতাংশ ফল। ড্রোনের কারণে সেই অপচয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩ শতাংশে। এক ঘণ্টার পথ ১০ মিনিটে পাড়ি দেওয়ায় পরিবহন খরচও কমেছে ৯০ শতাংশ। আবার ড্রোনের কারণে পাহাড় কেটে নতুন রাস্তাও বানাতে হচ্ছে না। চীনের ড্রোন প্রযুক্তি কীভাবে বদলে দিচ্ছে পাহাড়ি জীবন ও প্রকৃতি, দেখুন প্রতিবেদনে।

চীনের মিষ্টি চেরির জন্মস্থান হিসেবে খ্যাত হানইয়ুয়ান কাউন্টি। এই কাউন্টির ফল এখন পাহাড়ি সতেজতা অটুট রেখেই দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে চীনের দূর-দূরান্তের ভোক্তাদের কাছে। আর এটি সম্ভব করেছে দেশটির উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি। ড্রোনে উড়ে আসার কারণে আগের মতো অনেক চেরি নষ্টও হচ্ছে না।

ছ্যং সিয়াওইয়ি, চেরি চাষী (১)

‘আগে সবকিছু মোটরসাইকেলে করে পাহাড় থেকে নামাতাম। রাস্তায় কম্পনের কারণে ১০-১৫ শতাংশ চেরি নষ্ট হতো।’

এখানকার চেরি চাষিদের জন্য গেম-চেঞ্জার হয়ে উঠেছে ড্রোন। এতে ব্যাপক মাত্রায় কমেছে লজিস্টিক খরচ।

সিয়ান ইয়িনলি, জেডি লজিস্টিক্সের সিছুয়ান-সিচাং অঞ্চলের চেরি প্রকল্পের দল ব্যবস্থাপক (৩য়)

‘হানইয়ুয়ানের উচ্চতা, জটিল ভূখণ্ডের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছি। এখানে একটি স্থিতিশীল আকাশপথ পরিবহন করিডোর তৈরি করেছি। এখন, একটি একমুখী ড্রোন ডেলিভারি প্রায় ১০ মিনিট সময় নেয়। এতে দক্ষতার হার ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। বড় শহরগুলোয় একদিনেই পণ্য পৌঁছে যাচ্ছে।’

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-এর সংবাদকর্মীরা পরীক্ষামূলকভাবে একটি ড্রোনের কার্গো বাক্সের ভেতরে ফুলের একটি তোড়া রাখেন। পরের দিন সকালে, ২৩০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে সেই ফুল পৌঁছায় ছেংতুতে। দেখা গেল ফুলগুলো অক্ষত ও সতেজ ছিল।

অন্যদিকে, ইংচিং কাউন্টিতে জায়ান্ট পান্ডা জাতীয় উদ্যানে কৃষকরা একসময় আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ্যে হাতে করে কাঠ টেনে নিয়ে যেত। এখন সেই কাজ করছে ড্রোন। স্থানীয় চাষীরা জানালেন, এ কাজে ড্রোন এক দিনে যা করতে পারে, তা মানুষের দশ দিন লাগবে। সেই সঙ্গে কমেছে খরচও।

ওয়াং হাওচিয়ে, সিছুয়ান ছাংফেই স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির হোস্টিং অপারেশন ব্যবস্থাপক (৫ম)

‘ড্রোন ছাড়া এই কাঠের গুঁড়িগুলো পরিবহন করা হলে লাভজনক হতো না। এখন কৃষকরা প্রতি টনে প্রায় ২০০ ইউয়ান আয় করতে পারেন। একটি ড্রোন মাসে ২০০ টনের বেশি পরিবহন করতে পারে।’

কাঠ পরিবহনের জন্য রাস্তা বানানো হলে তা কৃষিজমি ও প্রকৃতির ক্ষতি করতো। ড্রোনের কারণে তা করতে হচ্ছে না। প্রথমে, অনেক কৃষক ভেবেছিল এটি ব্যয়বহুল হবে। তা না হওয়ায় এখন গ্রামের এক-তৃতীয়াংশ পরিবারই তাদের কাঠের ব্যবসায় ড্রোন পরিবহন ব্যবহার শুরু করেছে।

Rate This Article

How would you rate this article?

সিএমজি

সিএমজি

বাংলা বিভাগ

চায়না মিডিয়া গ্রুপ (CMG) চীনের রাষ্ট্রীয় রেডিও ও টেলিভিশন সম্প্রচারকারী প্রধান কোম্পানি।

Our Editorial Standards

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.