উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৪৩তম অধিবেশনে, গতকাল (বুধবার) গৃহীত এক প্রস্তাবে, প্রতিবছরের ২১ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক থাই চি দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা বলেন, এ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গভীর তাত্পর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ। মানবজাতির স্বাস্থ্য রক্ষা, সভ্যতার বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, এবং বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। থাই চি এক ধরনের মুষ্টিযুদ্ধ, যার উত্স চীন।
এটি দর্শনশাস্ত্র, ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিত্সা, ও উসু-র সমন্বিত রূপ। সারা বিশ্বে থাই চি অনুশীলনকারীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ১৮০টি দেশ ও অঞ্চলে থাই চি ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২০ সালে থাই চি ইউনেস্কোর মানবজাতির অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক পুরাকীর্তি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, থাই চি রোগ নিরাময় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে স্পষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।
(প্রেমা/আলিম/ছাই)