Wednesday, June 10, 2026
Live
খবর
Verified
2 min read

গাজীপুরে প্রকৌশলী রোকনোজ্জামানের আঙ্গুর চাষে চমক

মাহফুজ রহমান
মাহফুজ রহমান ডেস্ক সম্পাদক
Published: Updated:
গাজীপুরে প্রকৌশলী রোকনোজ্জামানের আঙ্গুর চাষে চমক
গাজীপুরে প্রকৌশলী রোকনোজ্জামানের আঙ্গুর চাষে চমক

গ্রামীণ রাস্তা পেরিয়ে সুনিবিড় ছায়াঘেরা গ্রামের নাম বিপ্রবর্থা। ওই গ্রামের মাঝবয়সী রোকনোজ্জামান পেশায় একজন প্রকৌশলী হলেও তিনি এখন ঝুঁকেছেন কৃষিকাজে। ইউক্রেন জাতের আঙ্গুর চাষ করে পেয়েছেন সাফল্য। আঙ্গুর চাষে চমক দেখিয়েছেন তিনি।

খবর পেয়ে এলাকাবাসী এখন দেখতে আসছেন তাঁর বাগান। এক মাস পরে ফল পাকলে দেশি আঙ্গুরের স্বাদে মাতবে সবাই। তরুণ উদ্যোক্তাদের কৃষিকাজের মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ এই চাষীর।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২১ নাম্বার ওয়ার্ডের বিপ্রবর্থা গ্রামে প্রকৌশলী রোকনোজ্জামান ৫ একর জমি লিজ নিয়ে মালটা, ড্রাগন, প্যাশন ফ্রুট চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। তবে এক বিঘা জমিতে ইউক্রেন জাতের আঙ্গুর চাষ করে তিনি রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। দুই শতাধিক গাছে থোকা থোকা সবুজ আঙ্গুর ঝুলছে। কোনো গাছেই ফল কম নেই। এক মাস পরেই ফল পাকলে বেগুনি রঙ ধারণ করবে। খেতে সুমিষ্ট এই আঙ্গুর স্বাদে অনন্য। 

বাগান পরিচর্চাকারী ও ম্যানেজার বলেন, এই জাতের আঙ্গুর গাছে ফেব্রুয়ারির দিকে ফুল আসে। মাত্র চার মাসেই ফল পরিপক্ক হয়ে খাওয়ার উপযোগী হয়। বাংলাদেশে চাষবাস করা অন্যান্য ফসলের মতোই এর সার ও কীটনাশক ব্যবস্থাপনা করতে হয়। প্রতিদিন শতশত মানুষ আসছে বাগানে আঙ্গুর ফল দেখতে। 

বাগান ঘুরতে আসা ফয়সাল হোসেন বলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বাগানটা দেখেছি৷ প্রথমে বিশ্বাস হয়নি, কিন্তু এসে আশ্চর্য লাগছে যে গাজীপুরেও আঙ্গুর চাষ হচ্ছে। দারুণ ফলন হয়েছে। আমরাও চিন্তা করছি এখান হতে চারা নিয়ে রোপন করবো। 

এ বিষয়ে প্রকৌশলী রোকনোজ্জামান বলেন, আমি পেশায় একজন প্রকৌশলী। মহামারি করোনার পর কাজের পাশাপাশি শুরু করি চাষবাস। এবার শুরু করেছি আঙ্গুর চাষ। 

এক বিঘা জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণ থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিচর্যা মিলিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ হয়। প্রথমবারের ফলনেই ওই টাকা উঠে যাওয়ার পর অন্তত ২০ বছর ধরে ওই গাছে ফলন পাওয়া যাবে। তরুণ উদ্যোক্তাদের কৃষিকাজের মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ রোকনোজ্জামানের। তরুণদের বেকারত্ব ঘোচাতে সবাইকে কৃষিকাজে মনোযোগ দেয়ার আবেদন তার।

এ বিষয়ে গাজীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান বলেন, আমরা খবর পেয়ে আঙ্গুর বাগানের খোঁজ পেয়ে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম৷ তিনি আগে থেকেই ড্রাগন চাষ করতেন। এ বছরই তিনি বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করেছেন। আমরা নিয়মিত খোঁজ খবর রাখছি, কি পরিমাণ উৎপাদন হয়, সেটিও খোঁজ রাখা হবে৷ 

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন। তিনি মূলত শিক্ষাবিষয়ক এক্সপার্ট। তিনি লেখাপড়া, চাকরি বা ক্যারিয়ার, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত লেখালেকি ও সংবাদ সম্পাদনা করেন।

Our Editorial Standards

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.