ডিসেম্বর ১৫, সিএমজি বাংলা, ঢাকা: চীন সরকারের অর্থায়নে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রীদের জন্য নির্মাণ করা হবে প্রস্তাবিত ‘চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী স্মারক’ হল। সোমবার এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন করেছে চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল। এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
চীনা বিশেষজ্ঞ দলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জগন্নাথ হল সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তাবিত নতুন হলের স্থান জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। জরিপ চলাকালে চীন থেকে আগত কারিগরি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং প্রকৌশলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্মাণস্থান পরিদর্শন শেষে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেন, দীর্ঘদিনের আলোচনা ও প্রস্তুতির পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। আগামী বছরের প্রথমার্ধেই শুরু হবে এর নির্মাণকাজ। চীন সবসময় বাংলাদেশের শিক্ষাখাতের উন্নয়নে পাশে থাকতে আগ্রহী। এই মৈত্রী হলটি শুধুমাত্র একটি ভবন নয়, এটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও বন্ধুত্ব বিনিময়ের একটি স্থায়ী সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অংশ হিসেবে ২৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১ হাজার ৫শ’ আসনবিশিষ্ট এ হলটি নির্মাণ করা হবে।
এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য হল নির্মাণে সহযোগিতা করায় চীনের সরকার ও রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা গত ১৩/১৪ মাস যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চীন সরকারের আন্তরিক সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে হল নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এই ছাত্রী হল ছাড়াও অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশকিছু হল নির্মাণ করা হবে। এসব হল নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন হবে।
এর আগে সুন ছ্যাংয়ের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ দলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় চীনের বিশেষজ্ঞ দল প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা উপস্থাপন করে।
শুভ/নাহার
তথ্য ও ছবি: চায়না মিডিয়া গ্রুপ
ঢাবিতে ছাত্রী হল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করলো চীনা বিশেষজ্ঞ দল, আগামী বছর শুরু নির্মাণ কাজ
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.