চীনের সামুদ্রিক শিল্প গত কয়েক বছরে অভূতপূর্ব গতি অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, উচ্চ-মানের সামুদ্রিক যন্ত্রপাতি, সামুদ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামুদ্রিক তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। উদীয়মান সামুদ্রিক শিল্পে দেশীয় প্রযুক্তি, পণ্য এবং ব্যবসায়িক মডেল বিশ্বমানের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
পূর্ব চীনের ছিংতাও শহরে দেশের প্রথম বাণিজ্যিক স্মার্ট শিপিং রুট চালু হওয়ায়, এই রুটে কার্গো জাহাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নৌপথে চলাচল, বন্দরে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে সক্ষম। ক্যাপ্টেনরা স্থল থেকে রিমোট নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জাহাজ পরিচালনা করতে পারেন, যা নিরাপত্তা বৃদ্ধি, জ্বালানী খরচ ১০ শতাংশের বেশি হ্রাস এবং ক্রু সংকট হ্রাসে সাহায্য করছে।
ছিংতাওতে “সিস্টার” ও “লিংলং” নামে বড় সামুদ্রিক ডেটা মডেল ওষুধ গবেষণা, মাছ ধরার জাহাজ পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ সতর্কতা এবং বীমা ক্ষতি মূল্যায়নে সহায়তা করছে। চীনে এই বছর বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎ প্ল্যাটফর্ম এবং প্রথম ৮০ হাজার টন-শ্রেণির একিউকালচার জাহাজ বিতরণ করা হয়েছে। চেচিয়াং প্রদেশে প্রথম ট্রাস্টেড ডেটা স্পেস চালু, গভীর সমুদ্র ও মেরু প্রদেশ অনুসন্ধানে নতুন অগ্রগতি হয়েছে, যেখানে মানুষচালিত সাবমেরিন চিয়ালং আর্কটিক বরফের নিচে সফল ডাইভ সম্পন্ন করেছে।
জেনিফার/ফয়সল তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি