সবুজ রূপান্তর ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার দলিল স্বাক্ষর, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গভীর আলোচনা, চীনের বসন্ত উৎসব গালার মঞ্চে ওঠা হিউম্যানয়েড রোবটের কুংফু চর্চা উপভোগ—সম্প্রতি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের চীন সফরটি এভাবেই অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।
এই দুই দিনের সফরে চীনে থাকা জার্মান প্রতিষ্ঠানগুলো কী কী ইঙ্গিত পেয়েছে? উত্তর ও উত্তর-পূর্ব চীনের জন্য নিযুক্ত জার্মান চেম্বার অব কমার্সের নির্বাহী পরিচালক অলিভার ওহমে বলেন, জার্মান চ্যান্সেলরের সফরসঙ্গী হওয়া জার্মান ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের সদস্য সংখ্যা, তাদের জ্যেষ্ঠতার স্তর এবং শিল্পের পরিধি—এসব কিছু নিশ্চিতভাবেই জার্মানি-চীন ব্যবসায়িক বাস্তুতন্ত্রের প্রতি একটি ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ মূলত উদীয়মান বা উন্নত প্রযুক্তি—যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, অটোমেশন এবং স্মার্ট উৎপাদন দ্বারাই ত্বরান্বিত হবে।" বিএমডব্লিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান অলিভার জিপসে বলেন, "প্রথমবারের মতো চীন সফরে অংশ নিতে পেরে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করছি। চীন বিশ্বের বৃহত্তম মোটরগাড়ি (অটোমোবাইল) বাজার এবং আমাদের শিল্পের উদ্ভাবনী প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ারহাউস (শক্তিকেন্দ্র)। এবারের সফর সংলাপ, সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা ও 'উইন-উইন' বা পারস্পরিক বিজয়ের সহযোগিতারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।"
(শুয়েই/তৌহিদ/জিনিয়া)