এপ্রিল ১৬: আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে জাপানের টোকিওতে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত শি ইয়ং সাংবাদিকদের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে টোকিওস্থ চীনা দূতাবাস কীভাবে একের পর এক সন্ত্রাসী হুমকির শিকার হয়েছে।
শি ইয়ং জানান, গত ৫ মার্চ সাবেক পুলিশ ও সাবেক সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি সংগঠন দূতাবাসে একটি হুমকিপূর্ণ চিঠি পাঠায়। চিঠিতে টোকিওস্থ চীনা দূতাবাস ও কনস্যুলেটে হামলা চালানোর হুমকি দেওয়া হয়। চিঠি পাওয়ার পরপরই দূতাবাস বিষয়টি পুলিশকে জানালেও জাপানি পুলিশ এটিকে গুরুত্ব সহকারে নেয়নি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমনকি এখন পর্যন্ত এ ঘটনার সত্যতাও উদ্ঘাটন করতে পারেনি তারা।
এর ঠিক ১৯ দিন পর একটি গুরুতর ঘটনা ঘটে। মুরাতা কোদাই নামের পেশাদার সেনা কর্মকর্তা ধারালো অস্ত্র নিয়ে দেয়াল টপকে দূতাবাসে প্রবেশের চেষ্টা করেন। চীন এ ঘটনায় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের কাছে জরুরি ভিত্তিতে কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে।
কিন্তু দূতাবাসে অনুপ্রবেশের চেষ্টার মাত্র এক সপ্তাহ পর, গত ৩১ মার্চ নিজেকে সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সের রিজার্ভ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি অনলাইনে দূতাবাসে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি দেন। তিনি দাবি করেন, দূতাবাসের ভেতরে দূরনিয়ন্ত্রিত বোমা স্থাপন করা হয়েছে। এ ঘটনায় দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দিলে জাপানি পুলিশ ওই দিন প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দূতাবাসে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ অভিযান চালায়।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত শি ইয়ং উল্লেখ করেন, এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, চীনের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত এবং চীনা কূটনীতিক ও দূতাবাসের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি। এগুলোর প্রভাব অত্যন্ত নেতিবাচক।
সূত্র: সিএমজি