Saturday, April 11, 2026
Live

ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুদান দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার

ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুদান দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার
ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুদান দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুদান দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার। শনিবার সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ মহাবিহারের স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক, জুতাসহ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরসহ আরও অনেকে।

সকালে মন্দিরে আগত আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার ও এর সদস্য চীনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বরণ করে নেয় ধর্মরাজিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এক্সচেঞ্জ সেন্টারের উপ-মহাব্যবস্থাপক এবং এলডিসি গ্রুপের অধীন লিজিয়া ইন্টারন্যাশনাল কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইনস্টলেশন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাং ছিংবিন। এলডিসি গ্রুপের পক্ষ থেকে তিনি বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের হাতে অনুদান হিসেবে তুলে দেন ৮১২ সেট স্কুল পোশাক ও ৭৬৮ জোড়া জুতা।

শিক্ষার্থীদের জন্য ৮০০ দন্ত সুরক্ষা সামগ্রী বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের কাছে হস্তান্তর করেন লাকিডার ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়িন পিংছিং এবং নগদ এক লাখ টাকা তুলে দেন সানওয়াং কালার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তুয়ান বেনসি এবং বাংচায়নালিংক কনসালটেন্সির চেয়ারম্যান ওয়াং ইয়েতোং।

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুদান পেয়ে ধন্যবাদ ও কতৃজ্ঞতা জানান, বুদ্ধপ্রিয় মহাথের সহ ধর্মরাজিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ অনুপম বড়ুয়া।

বাংলাদেশ বোধকৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি প্রয়াত শুদ্ধানন্দ মহাথের উদ্যোগে ১৯৬০ সালে এই বৌদ্ধ বিহারের যাত্রা শুরু হয়। যুদ্ধপরবর্তী সময়ে বৌদ্ধ বৃষ্টি প্রচার সংঘ এখানে গড়ে তোলেন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। গড়ে উঠা  নানা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, যা সব সম্প্রদায়-ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর জন্য এটি উন্মুক্ত। ধর্মরাজিক স্কুল ও কলেজে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। আপন ফ্রেন্ডশিপ এবং প্রতিনিধিদের এ অনুদান উচ্ছ্বসিত এখানকার শিক্ষার্থীরা। আগামীতে তারা দেশের অবদানে ভূমিকা রাখতে চায় বলেও উঠে এসেছে তাদের কণ্ঠে।

এরপর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফটোশেসনে অংশ নেন, আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টারের চীনা প্রতিনিধিরা। 

বাংলাদেশ-চীনের মাঝে সম্পর্কে মজবুত এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার। বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে আসছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন।

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.