এপ্রিল ১৫: গতকাল (মঙ্গলবার) যুক্তরাজ্যের সূত্রে জানা গেছে, ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতভেদের বিষয়ে একটি ‘গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব’ তৈরিতে চেষ্টা করেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির।
মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দু’পক্ষকে নিম্নপর্যায়ের ‘প্রযুক্তিগত পরামর্শ’ দেওয়ার চেষ্টা করছে পাকিস্তান, যাতে হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনাসহ অন্যান্য বিষয়ে দু’পক্ষের মতভেদ দূর করা যায়।
১৪ এপ্রিল গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরের প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান খুব সম্ভবত আবার আলোচনায় বসবে।
জানা গেছে, ইসলামাবাদে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের তৎপরতা ২০ বছরের মতো বন্ধ করার দাবি করেছে ওয়াশিংটন, তবে ইরান মাত্র পাঁচ বছরের সময়সীমা গ্রহণ করতে পারে। তা ছাড়া ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বিদেশে স্থানান্তরের দাবি করেছে ওয়াশিংটন, কিন্তু তেহরান শুধু পারমাণবিক জ্বালানি লঘু করতে রাজি আছে।
দু’দেশের আলোচনা সম্পর্কে যুক্তরাজ্যের বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইরানের জন্য পারমাণবিক পরিকল্পনা মর্যাদা ও প্রতিরোধের সঙ্গে জড়িত। তাই ইরানকে দীর্ঘকাল ধরে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করাতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি ছাড় দিতে হবে।
(সুবর্ণা/তৌহিদ/স্বর্ণা)