ইরানে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। ইরানের বিভিন্ন শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য আবারও সামরিক উত্তেজনার মুখে পড়েছে এবং তেহরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে গেছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে The New York Times পত্রিকা জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাও চলমান রয়েছে। অন্যদিকে Reuters-কে একটি সূত্র জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি তেহরানে নেই; তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জুন মাসে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী বিমানযুদ্ধের পর এই হামলা চালানো হলো। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বারবার সতর্ক করেছিল, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে নেয়, তাহলে তারা আবারও হামলা চালাবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকি দূর করতে ইরানের ওপর আগাম হামলা চালানো হয়েছে।”
ইসরায়েলের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমন্বয় করে কয়েক মাস ধরে এই অভিযান পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং হামলার তারিখ কয়েক সপ্তাহ আগেই নির্ধারণ করা হয়।
শনিবার তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে। একই দিন স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৮টা ১৫ মিনিটে ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় জনগণকে প্রস্তুত করতে আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সাইরেন বাজানো হয়।