নভেম্বর ৩০: জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সম্প্রতি তাইওয়ান সম্পর্কে স্পষ্টতই উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন, যা চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চরম হস্তক্ষেপ। তিনি এ নিয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি এবং তার ভুল বক্তব্য প্রত্যাহার করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। জাপান সরকারও বারবার এই মন্তব্যের পক্ষে দুর্বল যুক্তি উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে।
আন্তর্জাতিক মহল বলছে, এটি জাপানে দক্ষিণপন্থী শক্তির ক্রমাগত উত্থান এবং সামরিকবাদের অবিচ্ছিন্ন অস্তিত্বকেই প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত জাপানি সামরিকবাদকে যেন পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না দেওয়া। তাইওয়ান চীনের ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ—এটি একটি অবিসংবাদিত সত্য, যা বিকৃত বা মিথ্যা প্রমাণ করা যাবে না।
বেলারুশের জাতীয় পরিষদের প্রতিনিধি পরিষদের মানবাধিকার, জাতিগত সম্পর্ক এবং প্রেস ও মিডিয়া বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান বুজিন বলেন, "বর্তমান জাপানি প্রধানমন্ত্রী এমন কিছু জাপানি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যারা ইতিহাসের পাঠ ভুলে গেছেন এবং অতীতে জাপানের অপরাধের জন্য তাদের মধ্যে কোনো অপরাধবোধ নেই।"
আফ্রিকান ইয়ং এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশনের দক্ষিণ আফ্রিকার পরিচালক ইমরাম বলেন, "আসলে সানায়ে তাকাইচির এই ধরনের মন্তব্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে করা প্রাসঙ্গিক প্রতিশ্রুতিগুলোকে উপেক্ষা করে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তরুণ প্রজন্ম হিসেবে আমাদের অবশ্যই এই দিকে গভীর মনোযোগ দিতে হবে।"
দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্ডিত তান ঝেলি বলেন, "তাইওয়ান সমস্যায় জাপানের পদক্ষেপের কথা বলতে গেলে, দক্ষিণ আফ্রিকান এবং আফ্রিকান হিসেবে আমরা দৃঢ়ভাবে একচীন নীতি মেনে চলি।"
জিনিয়া/তৌহিদ/ফেই
অনেক দেশের মানুষ সানায়ে তাকাইচির ভুল মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন
Connect With Us:
Advertisement
Our Editorial Standards
We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.
Fact-Checked
This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.
Expert Review
Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.
Regularly Updated
We regularly update our content to ensure it remains current.
Unbiased Coverage
We strive to present balanced information.