গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের কামারগাঁও নামা বাজার এলাকায় ঘোরশ্বাব জলমহাল থেকে সেলুনের জন্য পানি সংগ্রহে গিয়ে নিখোঁজ হন মাদব চন্দ্র বর্মন (৩০) নামের এক যুবক।
এদিকে দীর্ঘ ৯ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ যুবক মাদবের। এ তথ্যটি রিপোর্টার্স টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন কাপাসিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ মো: মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঘোরশ্বাব জলমহালের কামারগাঁও নামা বাজার সংলগ্ন ঘাটের পাশেই এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও নিখোঁজ যুবকের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, মাদব চন্দ্র বর্মন আনুমানিক ৭-৮ বছর ধরে নামা বাজার এলাকায় একটি দোকানে সেলুনের কাজ করে আসছে। রতন চন্দ্র বর্মন-বিউটি রানী বর্মণ দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে মাদব চন্দ্র বর্মন সবার বড়। এদিকে মাদবের রয়েছে ৫ বছর বয়সী দুটো জমজ মেয়ে সন্তান। একমাত্র সেলুনের কাজের উপার্জিত অর্থেই চলতো মাদবের সংসার।
স্থানীয় বর্মন পাড়া প্রতক্ষ্যদর্শী এক মহিলা জানান, সকাল আটটার দিকে আমি গাঙ্গে আসি স্নান করার জন্য। এ সময় আমি গাঙ্গের মধ্যখানে দেখতে পাই, একটি মানুষের মতো কালো বস্তু পানিতে ভাসছে আর ডুবছে। তৎক্ষণাৎ আমি চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে খবর দেই। এসময় স্থানীয় লোকজন গাঙের পাড়ে এসে দেখে মাদবের ব্যবহৃত জুতা,দোকানের বালতি,ঝাড়ু এবং গায়ের পরিহিত ছাই রঙের শার্ট।
এ সময় উপস্থিত জনতা নৌকা নিয়ে জাল দিয়ে মাধবের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চালায় স্থানীয়রা। এ ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে কাপাসিয়া ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা।
উদ্ধার অভিযান কতক্ষন পর্যন্ত চলবে এ বিষয়ে কথা হয় কাপাসিয়া ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ মোঃ মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে। এ বিষয়ে তিনি জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়েই উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো আমরা নিখোঁজ যুবককে উদ্ধার করতে পারিনি।
তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত লাশ উদ্ধার হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাবো।