জানুয়ারি ২৮: ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতেরি ওর্পোর চীন সফরের সময়, চীন-ফিনল্যান্ড উদ্ভাবনী উদ্যোগ সহযোগিতা কমিটির ষষ্ঠ সভা ২৬ তারিখ বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের উদ্যোগগুলো একাধিক বাণিজ্যিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ডিজিটাল রূপান্তর, সবুজ ও নিম্ন-কার্বন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা হল সভাস্থলের ভেতরে ও বাইরের মূল শব্দ। চীনের বাজারের প্রতি সুনজর দেওয়া এবং চীনের সুযোগ গ্রহণ করা ফিনিশ শিল্পজগতের সাধারণ অভিমতে পরিণত হয়েছে।
২৬ তারিখ, চীন-ফিনল্যান্ড উদ্ভাবনী উদ্যোগ সহযোগিতা কমিটির ষষ্ঠ সভায়, কোনে এলিভেটর গ্রুপের বোর্ডের উপ-চেয়ারম্যান ইউসি হেরলিন বলেন, “আমরা চীনের বাজারে প্রবেশ করেছি ত্রিশ বছর আগে। চীন আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যা আমাদের আয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একই সাথে, এখানে আমাদের বৃহত্তম উত্পাদন ঘাঁটি অবস্থিত, পাশাপাশি কোনে কোম্পানির বৃহত্তম বিদেশি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রও এখানেই। তাই, যে দিক থেকেই দেখা হোক না কেন, চীন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই, আমরা স্থানীয়ভাবে বিনিয়োগ চালিয়ে যাব।”
ফিনল্যান্ডের চীন দূতাবাসের মিনিস্টার মার্কো টিসমাকি বলেন, “এই প্রতিনিধিদলে প্রায় ২০টি ফিনিশ কোম্পানি অংশ নিচ্ছে। এই প্রতিনিধিদল সংগঠিত করার সময়টি কিছুটা সংক্ষিপ্ত ছিল, অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকেই তড়িঘড়ি করে তাদের সময়সূচি পরিবর্তন করতে হয়েছে এই প্রতিনিধিদলে যোগ দেওয়ার জন্য। তাই আমি মনে করি, শুধুমাত্র এই বিষয়টিই আমাদের কোম্পানিগুলোর চীনের বাজারে অটুট প্রতিশ্রুতির ভালো প্রমাণ।”
অরেলিস থেরাপিউটিক্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউহা ইরজানহেইকি বলেন, “আমরা (চীনে) বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা খুঁজছি: প্রথমত, ইক্যুইটি বিনিয়োগ; দ্বিতীয়ত, উত্পাদন পরিষেবা, যা আমাদের পণ্য উত্পাদনে ব্যবহৃত হবে, বৈশ্বিক বিজয়ী ও বাণিজ্যিকীকরণের জন্য; তৃতীয়ত, ক্লিনিকাল ট্রায়াল, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তৃতীয় ধাপের ক্লিনিকাল ট্রায়ালও চীনে পরিচালিত হবে, এবং অবশ্যই চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো পণ্য চীনের বাজারে প্রবেশ করানো।”
ইউপিএম-এর সহ-সভাপতি স্টেফান স্যান্ডম্যান বলেন, “আমরা ১৯৯৮ সাল থেকে চীনে প্রবেশ করেছি। এই বছরগুলোতে, আমরা চীনে বড় আকারের বিনিয়োগ করেছি, মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আমাদের সর্বশেষ বিনিয়োগ চাংশুতে গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন, যা আমাদের এশিয়ান গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রও বটে। আগামী পাঁচ বছর আমাদের উন্নয়নের দিক নির্ধারণ করবে। আমরা ভবিষ্যতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার প্রতিস্থাপনের জন্য বৃত্তাকার অর্থনীতি ও জৈব সমাধান প্রবর্তন করব, যার মাধ্যমে চীন তার কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনের লক্ষ্যে অবদান রাখতে পারে।”
কোনে এলিভেটর গ্রুপের বোর্ডের উপ-চেয়ারম্যান ইউসি হেরলিন বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি যে চীনের বাজারে পরিবর্তন ঘটছে। সেবার ডিজিটাল রূপান্তর এবং বিদ্যমান আবাসন মজুদের আধুনিকীকরণের প্রতি সবাই ক্রমবর্ধমান মনোযোগ দিচ্ছে। আমি মনে করি, এটি আগামী দশকের রিয়েল এস্টেট শিল্প, এমনকি আমাদের নিজস্ব উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।”
সূত্র: সিএমজি
চীনই আমাদের প্রবৃদ্ধির বড় চালিকাশক্তি থাকবে: ফিনিশ উদ্যোক্তা
Connect With Us:
Advertisement
Our Editorial Standards
We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.
Fact-Checked
This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.
Expert Review
Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.
Regularly Updated
We regularly update our content to ensure it remains current.
Unbiased Coverage
We strive to present balanced information.