যুক্তরাষ্ট্র সময় ৩ ফেব্রুয়ারি দেশটির টাকোমায় চীন-মার্কিন ‘পিংপং কূটনীতি’র ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। এবারের অনুষ্ঠানটি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি), চাইনিজ পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজ এবং চাইনিজ টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভিডিওর মাধ্যমে ভাষণ দেন চায়না মিডিয়া গ্রুপের প্রেসিডেন্ট শেন হাই সিয়ং, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত সিয়ে ফেং, চাইনিজ পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজের প্রধান ইয়াং ওয়ানমিং এবং চাইনিজ টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ওয়াং লি ছিন।
সান ফ্রান্সিসকোতে নিযুক্ত চীনা কনসাল জেনারেল চাং চিয়ানমিন অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মোট পাঁচ শতাধিক অতিথি অংশ নেন। শেন হাই সিয়ং বলেন, ‘দেশগুলোর মধ্যে মৈত্রী বা বন্ধুত্ব নির্ভর করে তাদের জনগণের ঘনিষ্ঠতার ওপর, আর জনগণের ঘনিষ্ঠতা নির্ভর করে তাদের হৃদয়ের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর।’
৫৫ বছর আগে একটি ছোট পিংপং বল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র—দু’দেশের জনগণের মনের সংযোগের দরজা খুলে দিয়েছিল। ১০ বছর আগে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় লিংকন মিডল স্কুলে গিয়ে মার্কিন তরুণ প্রজন্মকে চীন ভ্রমণে উৎসাহিত করেছিলেন। এটি চীন-মার্কিন বন্ধুত্বে আত্মবিশ্বাস ও শক্তি যুগিয়েছে। তিনি বলেন, "চীন-মার্কিন সম্পর্কের আশা জনগণের ওপর এবং এর ভবিষ্যৎ যুবসমাজের ওপর নির্ভরশীল।"
তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দু’দেশের জনগণের বিনিময়ের চমৎকার গল্প অব্যাহতভাবে রচনা করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত সিয়ে ফেং বলেন, আশা করি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের নেতৃবৃন্দের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় এবং পারস্পরিক সম্মান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সহযোগিতা ও উভয় পক্ষের জয়ের নীতির ভিত্তিতে দু’দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে পারবে।
এটি দুই দেশের জনকল্যাণ বাড়াবে এবং বিশ্বে আরও নিশ্চয়তা ও ইতিবাচক শক্তি যোগাবে।
(আকাশ/তৌহিদ/ফেইফেই)