নভেম্বর ২৮, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: কুয়াংসি চুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হেচি শহরে ৩২৬ মিটার-গভীর সিংকহোলের খাড়াই দেওয়ালে নির্মিত একটি বুকস্টোর নজর কাড়ছে দেশজুড়ে। নাটকীয় পরিবেশ ও ভিন্নধর্মী পাঠ–অভিজ্ঞতার কারণে এটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
মিয়ানহুয়া থিয়ানখং এলাকায় গত মে মাসে খোলা বুকস্টোরটি অল্প সময়েই পরিচিত ল্যান্ডমার্কে পরিণত হয়েছে। রাতে আলোকসজ্জায় ক্লিফজুড়ে সাজানো ১০ হাজারের বেশি বই যেন তৈরি করে ‘জ্ঞানের গিরিখাত’। সেখানে পৌঁছাতে দর্শনার্থীদের পেরোতে হয় এক হাজারের বেশি কাঠের সিঁড়ি।
দর্শনীয় এ স্থানের প্রতিষ্ঠাতা হ্য চিচিয়ান বলেন, খাড়া স্থানের কারণে নির্মাণ ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ অ্যানকারিং প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়েছে।
হ্য আরও বলেন, ‘এই বুকস্টোরের বিশেষত্ব হলো—ঝড়-বৃষ্টি যাই হোক, ভেতরটা ভেজে না। সিংকহোলটি প্রাকৃতিক ছাউনি হিসেবে সব ঢেকে রাখে।’
সাইট ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি জানাল, এ নকশা তৈরিতে বই বিক্রির চেয়ে পাঠকদের চারপাশের ভূদৃশ্যের সাথে সংযোগ ঘটানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্প স্থানীয় পর্যটন অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা। পানির সংকট ও বিচ্ছিন্নতার কারণে পিছিয়ে থাকা মিয়ানহুয়া গ্রামে ২০১৯ সালে দর্শনীয় এলাকা উন্নয়ন শুরুর পর অবকাঠামো বদলে গেছে। অনেক গ্রামবাসী ফিরে এসে হোমস্টে ও রেস্তোরাঁ খুলেছেন।
ওয়েই জানান, দর্শনীয় এলাকায় এখন একটি ক্লিফ–পুল, একটি হোটেল ও একটি ক্যাফেও রয়েছে। ইতিমধ্যে এক লাখের বেশি দর্শনার্থী এখানে এসেছে এবং জায়গাটি ভাইরাল ফটোস্পটে পরিণত হয়েছে।
ফয়সল/জেনিফার
তথ্য ও ছবি: চায়না ডেইলি
সিংকহোল থেকে বুকস্টোর: কুয়াংসির ভাইরাল ল্যান্ডমার্ক
Connect With Us:
Advertisement
Our Editorial Standards
We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.
Fact-Checked
This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.
Expert Review
Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.
Regularly Updated
We regularly update our content to ensure it remains current.
Unbiased Coverage
We strive to present balanced information.