জানুয়ারি ৩: চীন সফরের প্রাক্কালে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং ব্লু হাউসে সিএমজি’কে একান্ত সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। জানা গেছে, এটি ব্লু হাউসে ফিরে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল অফিস থেকে দেওয়া প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাত্কার, যা থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার মাত্রাও অনুভব করা যায়।
প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেছেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অস্থির, কিছু দেশের মধ্যে বিরোধ তীব্র হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীন ইতিহাস, অর্থনীতি, ভূ-রাজনীতি, রাজনীতি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত। উত্তর-পূর্ব এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, পারস্পরিক সম্মান এবং সমৃদ্ধি চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয়ের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, গত কিছু সময় ধরে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ রয়েছে, যা কিছুটা হলেও দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছে। বলা যায়, এই চীন সফরের উদ্দেশ্য হলো পূর্বে বিদ্যমান ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ ন্যূনতম পর্যায়ে কমানো বা দূর করা, চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করা এবং বিকশিত করা, যাতে দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন একে অপরের উন্নয়নে সহায়ক সম্পর্ক দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই চীন সফরে, প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান উদ্যোগগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রায় ২০০ সদস্যের একটি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উপকারী অনেক উপাদান রয়েছে। পূর্বের চীন-দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি, মূলধন এবং চীনের শ্রমশক্তির সমন্বয়ে গঠিত উল্লম্ব কাঠামোর সহযোগিতা ছিল। তবে বর্তমানে চীন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের অসামান্য নেতৃত্বে অর্থনীতির ব্যাপক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অর্জন করেছে, এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও মূলধনের দিক থেকে দক্ষিণ কোরিয়াকে ছাড়িয়ে গেছে বা এগিয়ে আছে। তাই চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকেও একটি সমান্তরাল সহযোগিতা কাঠামো ও সমতাভিত্তিক অংশীদারত্বের সম্পর্কে পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যেমনটি আগে প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উদাহরণে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উচ্চ-প্রযুক্তি শিল্পের মতো ক্ষেত্রে নতুন সমতাভিত্তিক সহযোগিতা সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে উভয়পক্ষের উন্নয়নের জন্য উপযোগী সহযোগিতামূলক অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেছেন, বর্তমানে চীন নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে, বিশেষ করে সৌর ফটোভোলটাইক ক্ষেত্রে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। চীন নতুন প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে জাতীয় শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে এবং শিল্প উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে অত্যন্ত সক্ষম। তিনি আশা করেন যে দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের সহযোগিতা দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বিশাল ‘সুযোগের দরজা’ খুলে দেবে।
তিনি বলেন, উত্তর-পূর্ব এশিয়ায়, তাইওয়ান প্রণালী সংক্রান্ত সমস্যাসহ আশেপাশের বিষয়গুলোতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়া যথারীতি এক চীন নীতি সম্মান করার অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
(স্বর্ণা/হাশিম/লিলি)
《高端访谈》专访韩国总统李在明
访华前夕,韩国总统李在明在青瓦台接受总台独家专访。据悉,这是韩国总统府重返青瓦台后接受的首个正式采访,从中也能感受到韩国政府对韩中关系的重视程度。
李在明总统表示,当前国际局势动荡不安,一些国家间矛盾加剧。在此背景下,韩中关系的发展对韩国而言至关重要。韩国和中国在历史、经济、地缘、政治及安全等诸多领域有着千丝万缕的联系。东北亚地区的和平稳定、相互尊重及共同繁荣,对于中国和韩国而言,都是重要的课题。不可否认,过去一段时间,韩中之间确实存在一些误解或矛盾,这在一定程度上对两国关系发展造成了障碍。可以说,此次访华的目的在于最大限度地减少或消除以往存在的误解或矛盾,推动韩中关系跃升并发展到新阶段,使韩国和中国牢固确立为相互助力彼此发展的关系。
这次访华,李在明总统将会率领一个包含韩国主要企业在内约200人的经贸团。对此,李在明总统表示,韩国与中国的经贸关系十分紧密,且存在诸多对彼此经济发展大有裨益的因素。过去的韩中经济合作主要基于韩国的先进技术、资本与中国劳动力相结合,呈现出垂直结构的合作,那么如今中国在习近平主席的卓越领导下,取得了经济的大幅增长与发展,在技术和资本方面已在很多领域赶上甚至领先于韩国。因此,韩中之间的经济合作也有必要重构水平合作结构、平等协作的关系。他认为重中之重在于,以刚才提到的技术领域为例,在人工智能、高新技术产业等领域,通过建立新的平等合作关系,打造有利于双方发展的合作型经济关系。
李在明总统表示,中国目前已在可再生能源领域,尤其是太阳能光伏领域已经领先全球,中国在集中国家力量推动新技术研发以及引领产业发展方面,有非常卓越的能力。他期待韩国和中国的合作,会为韩国打开巨大的“机遇之门”。
他表示,在东北亚、在包括台湾海峡两岸问题在内的周边问题上,维护和平与稳定对韩国而言至关重要。韩国将一如既往地秉持尊重一个中国的立场。
সিএমজির সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের একান্ত সাক্ষাত্কার
Connect With Us:
Advertisement
Our Editorial Standards
We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.
Fact-Checked
This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.
Expert Review
Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.
Regularly Updated
We regularly update our content to ensure it remains current.
Unbiased Coverage
We strive to present balanced information.