মে ৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের বিশাল বাজারে কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটির সরকার বলছে, ঐতিহ্যগতভাবে খনিজ ও কাঁচামাল রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে কৃষিখাত এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চীনে সাইট্রাস ফল, আপেল এবং অ্যাভোকাডো রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ খাতের রপ্তানি সম্প্রসারণেও কাজ করছে সরকার। বিশেষ করে গবাদিপশুর মুখ ও খুর রোগ বা ফুট-অ্যান্ড-মাউথ ডিজিজ নিয়ন্ত্রণে এনে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার চেষ্টা চলছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষিমন্ত্রী জন স্টিনহুইসেন জানান, সাম্প্রতিক সময়ে লিমপোপো ও ম্পুমালাঙ্গা প্রদেশে রোগটির প্রাদুর্ভাবের কারণে সাময়িকভাবে প্রাণিসম্পদ রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছিল। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির সব গবাদিপশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা একই ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পুরোপুরি রোগমুক্ত এবং এর ফলে বিশ্বের ৯৪টি বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে। আমরাও সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছি।
স্টিনহুইসেন আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষ করে চীন, দক্ষিণ আফ্রিকার নেওয়া স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে এবং সরকার এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে কার্যকর অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বন্দর ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ করা গেলে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে।
কৃষিখাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি হেক্টর আপেল বা সাইট্রাস চাষ একাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।
এদিকে, চীন সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন কৃষিপণ্যের ওপর শূন্য শুল্কনীতি চালু করেছে।
নাহার/হাশিম
তথ্য ও ছবি- সিজিটিএন।