Friday, June 12, 2026
Live
খবর
Verified
3 min read

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ এর সিলেবাস, নম্বর বণ্টন ও নোটিশ

মাহফুজ রহমান
মাহফুজ রহমান ডেস্ক সম্পাদক
Published: Updated:
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ এর সিলেবাস, নম্বর বণ্টন ও নোটিশ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ এর সিলেবাস, নম্বর বণ্টন ও নোটিশ [Primary scholarship 2022 syllabus, mark distributions and notice] নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে এ পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় আকস্মিকভাবে এ বছর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। উল্লেখ্য, বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া সব শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২

পরীক্ষা :প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২
পরীক্ষার বিষয় :বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান
মোট নম্বর :১০০
পরীক্ষার তারিখ :ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে
পরীক্ষার ফলাফল :
Primary scholarship exam 2022

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ২০২২

বিষয় :নম্বর :
বাংলা ২৫
ইংরেজি২৫
গণিত২৫
বিজ্ঞান২৫
মোট নম্বর =১০০
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ২০২২

  • এ বছর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা হবে ৪ বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের। ২ ঘণ্টার এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা সদরে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির বাছাই করা ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। অন্যরা এ সুযোগ পাবে না।

  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে হবে এ বৃত্তি পরীক্ষা। প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এক দিনেই দুই ঘণ্টায় হবে এ পরীক্ষা। বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় যে ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী এগিয়ে থাকবে, তারাই এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ সংক্রান্ত তথ্য

  • এক সময় বাছাই করা শিক্ষার্থীদের নিয়ে হতো প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। সেটি বাদ দিয়ে ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা। এতে সব শিক্ষার্থীই বৃত্তি পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারত; যদিও পিইসি পরীক্ষা নিয়ে ছিল সমালোচনা।

  • করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখা বিবেচনায় নিয়ে তিন বছর ধরে পিইসি পরীক্ষা হচ্ছে না। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে চালু হচ্ছে নতুন শিক্ষাক্রম। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও তা বাস্তবায়ন করা হবে, যেখানে প্রথাগত পরীক্ষাকে কম গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় বছরের একেবারে শেষবেলায় এসে আকস্মিকভাবেই এ বছর সেই পুরোনো ব্যবস্থার মতো প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • বিষয়টি জানাজানি হয় ১ ডিসেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনাপত্র পাঠানোর পর। ওই নির্দেশনাপত্রে বলা হয়েছে, ২৮ নভেম্বর এক আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রাথমিক বৃত্তি অব্যাহত থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এ বৃত্তি পরীক্ষা নিতে হবে। প্রতিটি উপজেলা সদরে হবে এ পরীক্ষা। এ জন্য মোট শিক্ষার্থীর ১০ শতাংশ হিসাব করে কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

  • সার্বিক বিবেচনায় এ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জন কোর কমিটির সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক এম তারিক আহসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখা অনুযায়ী শিক্ষায় পরিবর্তনের যে ধারা তৈরি হচ্ছে, সেখানে হঠাৎ সামষ্টিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রচেষ্টা কখনোই ইতিবাচক চর্চা হতে পারে না, বরং ক্ষতির কারণ হতে পারে।

  • শিক্ষার্থীর একাডেমিক ও মানসিক বিকাশের দৃষ্টিকোণ থেকেও যদি দেখা হয়, তাহলেও এভাবে হুট করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের ওপর নানামুখী মানসিক ও শারীরিক চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে বাছাই করে যদি এ ধরনের একটি বৃত্তি কার্যক্রম আবার চালু করা হয়, তাহলে এটি বৈষম্যমূলক হবে। তাই এটি নিয়ে আরেকটু ভাবার অবকাশ রয়েছে। তাঁর পরামর্শ হলো, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা না করে শিক্ষার্থীরা যেসব কাজ করেছে, যেমন অ্যাসাইনমেন্ট, শ্রেণিভিত্তিক কার্যক্রমের ফলাফল ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে আপাতত মেধাবৃত্তি দেওয়া যেতে পারে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারে?

প্রতিটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির বাছাই করা ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। অন্যরা এ সুযোগ পাবে না।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কোথায় হবে?

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা সদরে।

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন। তিনি মূলত শিক্ষাবিষয়ক এক্সপার্ট। তিনি লেখাপড়া, চাকরি বা ক্যারিয়ার, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত লেখালেকি ও সংবাদ সম্পাদনা করেন।

Our Editorial Standards

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.