Tuesday, April 21, 2026
Live

আইইউবিএটিতে আন্তর্জাতিক চীনা ভাষা দিবস ও বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি উৎসব উদযাপিত

আইইউবিএটিতে আন্তর্জাতিক চীনা ভাষা দিবস ও বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি উৎসব উদযাপিত

ঢাকা, এপ্রিল ২১, সিএমজি বাংলা : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো ‘আন্তর্জাতিক চীনা ভাষা দিবস ২০২৬’। সোমবার দিবসটি উপলক্ষে ‘চীনা সংস্কৃতি অভিজ্ঞতা এবং চীনা ভাষা কোর্স প্রচারণা’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

চীনা দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় আইইউবিএটি এবং শান্ত-মারিয়াম হোংহ্য কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে অংশগ্রহণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল আইইউবিএটিতে পরিচালিত চীনা ভাষা কোর্সের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ তুলে দেওয়া হয়। গত এক বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা শিক্ষার অভাবনীয় সাফল্যকে উদযাপন করতেই মূলত এই আয়োজন।

বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্মুক্ত অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় একটি বিশেষ ‘অ্যাক্টিভিটি এক্সপেরিয়েন্স’ সেশন। যেখানে শিল্প, সাহিত্য ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে চীন এবং বাংলাদেশের হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে শিক্ষার্থীদের সামনে জীবন্ত করে তোলা হয়। এই সেশনটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে চীন ও চীনা ভাষার প্রতি ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং। তিনি বলেন, 'জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক চীনা ভাষা দিবস উপলক্ষে আইইউবিএটির এই চমৎকার ও সবুজ ক্যাম্পাসে সবার সঙ্গে একত্রিত হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। শান্ত-মারিয়াম হোংহ্য কনফুসিয়াস ক্লাসরুম এবং আইইউবিএটির এই যৌথ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই, যারা দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে'।

শান্ত-মারিয়াম হোংহ্য কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের চীনা পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ওয়াং লিছিয়ং তার বক্তব্যে বলেন, 'ভাষা হচ্ছে বিশ্বকে জানার চাবিকাঠি। বর্তমানে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ তাদের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় চীনা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাংলাদেশ ও চীনের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও অবকাঠামোগত সম্পর্কের কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই ভাষা শেখার গুরুত্ব এখন অপরিসীম'।

উপস্থিত বক্তারা জানান, এই ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম কেবল ক্যাম্পাসের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি স্থানীয় পর্যায়েও চীনা ভাষার প্রভাব বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে এমন এক দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠবে যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে আইইউবিএটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাহার/ফয়সল

তথ্যসূত্র ও ছবি: সিএমজি বাংলা।

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন।

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.