আজ (মঙ্গলবার), জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকেচি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম শ্রেণীর যুদ্ধাপরাধীদের সমাধিস্থল ইয়াসুকুনিতে নৈবেদ্য নিবেদন করেন। চীন দৃঢ়ভাবে এর বিরোধিতা করে ও তীব্র নিন্দা জানায়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়া খুন, আজ (মঙ্গলবার) এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
উল্লেখ্য, ইয়াসুকুনি সমাধি হচ্ছে জাপানের সামরিকবাদের আগ্রাসী যুদ্ধের প্রতীক। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি যুদ্ধাপরাধীদের মাজার। চলতি বছর টোকিও ট্রায়ালস উদ্বোধনের ৮০তম বার্ষিকী। একটি অত্যন্ত ক্ষোভের বিষয় হচ্ছে, ৮০ বছর পরেও কুখ্যাত ইয়াসুকুনি সমাধি পূজিত হয়; জাপানের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদরা বার বার এটি পরিদর্শন করেন বা নৈবেদ্য ও টাকা নিবেদন করেন। ইয়াসুকুনি সম্পর্কে জাপানের মনোভাব হচ্ছে নিজের দায়িত্ব এড়ানোর প্রচেষ্টা, ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের অবমাননা, আক্রান্ত দেশগুলোকে উস্কানি দেওয়া এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ের সুফলের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া। আন্তর্জাতিক সমাজ তা মেনে নেয়নি, নেবেও না।
(অনুপমা/আলিম/শিশির)