চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ‘চিইয়ুয়ান’ বা টোকেন নিয়ে বাড়ছে জনসচেতনতা ও উদ্বেগ। সম্প্রতি চীনের জাতীয় উপাত্ত প্রশাসন এ শব্দটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দেশজুড়ে এখন এটি আলোচনায়। একই সঙ্গে টোকেন ব্যবহারে নিরাপত্তা ও প্রতারণার ঝুঁকি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
টোকেন মূলত বড় এআই মডেল িদয়ে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। এটি গণনা, মূল্য নির্ধারণ ও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উপযোগী। লেখালেখি, ছবি সম্পাদনা, ভিডিও তৈরি—এমন নানা কৃত্রিম মুদ্ধিমত্তা সেবায় টোকেন ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া অনেক ডিজিটাল সেবায় এটি পরিচয় যাচাই, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও পেমেন্ট অনুমোদনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মঙ্গলবার চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় টোকেন-সম্পর্কিত ঝুঁকি নিয়ে জনসাধারণকে সতর্ক করে। তাদের মতে, টোকেন চুরি, জালিয়াতি ও তথ্য বিকৃতির মতো হুমকি বাড়ছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত চীনে প্রতিদিন টোকেন ব্যবহারের সংখ্যা ১৪০ ট্রিলিয়নের বেশি যা ২০২৪ সালের শুরুর তুলনায় এক হাজার গুণেরও বেশি। দ্রুত এই সম্প্রসারণ টোকেনকে ডিজিটাল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত করেছে, তবে একই সঙ্গে এটি অপরাধীদের নতুন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যথাযথ এনক্রিপশন না থাকলে সাইবার হামলা, ম্যালওয়্যার বা অনিরাপদ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে টোকেন চুরি হতে পারে। এর ফলে অপরাধীরা ব্যবহারকারীর পরিচয় ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশ করতে পারে এবং অনুমতি ছাড়া আর্থিক লেনদেনও সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। সূত্র: সিএমজি বাংলা