আজ (৫ মার্চ) সকালে বেইজিংয়ে চতুর্দশ জাতীয় গণ-কংগ্রেসের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং সরকারি কার্যবিবরণী পেশ করেন। সরকারি কার্যবিবরণীতে বলা হয়, ২০২৫ সাল হলো চতুর্দশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শেষ বছর। গত ৫ বছরে সি চিন পিং-কে কেন্দ্র করে সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটি দেশের সব জাতির জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
এর মাধ্যমে দ্বিতীয় ‘শতবর্ষী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’র নতুন যাত্রার এক চমৎকার সূচনা হয়েছে। গত ৫ বছরে চীনের অর্থনীতির আকারে নতুন সাফল্য অর্জিত হয়েছে। চীনের জিডিপির বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৫.৪ শতাংশ, যা বিশ্বের গড় মানের চেয়ে অনেক বেশি। বিজ্ঞান ও শিল্পের উদ্ভাবনেও নতুন অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। সমাজে গবেষণা ও উন্নয়নে বার্ষিক বরাদ্দের বৃদ্ধি ১০ শতাংশেরও বেশি। এ ছাড়া, চীনের উৎপাদন শিল্পের প্রবৃদ্ধির পরিমাণ টানা ১৬ বছর ধরে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে। শিল্প শৃঙ্খল ও সরবরাহ শৃঙ্খলের নিরাপত্তার মান স্থিতিশীলভাবে বাড়ছে। জনগণের কল্যাণ নতুন পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
নাগরিকদের আয়ের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৫.৪ শতাংশ। শহর ও গ্রামে ৬ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মসংস্থান পেয়েছে। দারিদ্র্যমুক্ত হওয়া এলাকার কৃষকদের আয়ের বৃদ্ধি দেশের গ্রামীণ গড়ের চেয়েও বেশি। মানুষের গড় আয়ুষ্কাল বেড়ে ৭৯.২৫ বছর হয়েছে। পরিবেশগত সভ্যতা নির্মাণের ক্ষেত্রে, শহরগুলোতে ভালো বা উৎকৃষ্ট বায়ুর মানসম্পন্ন দিনের অনুপাত ৮৯.৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে এবং বনায়নের আওতা ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি চীনকে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত ও বৃহত্তম বনজ সম্পদ বৃদ্ধির দেশে পরিণত করেছে এবং বিশ্বের বৃহত্তম ও দ্রুততম বর্ধনশীল নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবস্থা তৈরি করেছে।
শুয়েই/তৌহিদ/জিনিয়া