মার্চ ৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: গভীর সমুদ্র থেকে তেল ও গ্যাস উত্তোলনে নতুন অগ্রগতি অর্জনের পথে এগুচ্ছে চীন। দেশটির উপকূলীয় শহর ছিংতাওয়ে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও আধুনিক ভাসমান তেল-গ্যাস উৎপাদন স্থাপনার নির্মাণকাজ শুরু করেছে দেশটি।
এটি সমুদ্রের ওপর ভাসমান একটি বিশাল কারখানা, যাকে প্রযুক্তিগতভাবে এফপিএসও বলা হয়। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়।
এই প্ল্যাটফর্মে সমুদ্রের তলদেশ থেকে তেল ও গ্যাস উত্তোলন, সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করা এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি এখান থেকেই বড় জাহাজে তেল স্থানান্তর করা যাবে।
চীনের নিজস্ব নকশায় তৈরি এই স্থাপনাটির ওজন প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টনের বেশি। এতে প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার ঘনমিটার তেল সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। আকার ও ধারণক্ষমতার দিক থেকে এটি বিশ্বের বড় ভাসমান তেল স্থাপনাগুলোর অন্যতম।
সাধারণ জাহাজের মতো লম্বা না হয়ে এটি গোলাকার বা সিলিন্ডার আকৃতির। ফলে সমুদ্রের বড় ঢেউয়ের মধ্যেও এটি স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং কম জায়গায় বেশি তেল সংরক্ষণ করা যায়।
এটি এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে বড় ধরনের মেরামত ছাড়াই টানা প্রায় ৩০ বছর সমুদ্রে কাজ করতে পারে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
পরবর্তীতে এই স্থাপনাটি খাইপিং সাউথ অয়েলফিল্ডে বসানো হবে, যা শেনচেন উপকূল থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। চীনের আবিষ্কৃত এই তেলক্ষেত্রে প্রায় ১০ কোটি টনের বেশি তেলের মজুদ রয়েছে।
প্রকল্পের প্রধান কর্মকর্তা শু ওয়েই বলেন, ইউনিটটি চালু হলে এটি এশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক অফশোর তেল-গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর একটি হবে এবং জ্বালানি খাতে চীনের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।
নাহার/হাশিম
তথ্য ও ছবি-সিসিটিভি।
চীনে এশিয়ার বৃহত্তম ভাসমান তেল উৎপাদন স্থাপনার নির্মাণ শুরু
Connect With Us:
Advertisement
Our Editorial Standards
We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.
Fact-Checked
This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.
Expert Review
Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.
Regularly Updated
We regularly update our content to ensure it remains current.
Unbiased Coverage
We strive to present balanced information.