জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিচ মেথ্সের চীন সফর ফলপ্রসূ হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং, আজ (বৃহস্পতিবার) বেইজিংয়ে, এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। মাও নিং বলেন, গতকাল (বুধবার) প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং চ্যান্সেলর ফ্রিডরিচ মেথ্স-এর সাথে দেখা করেন, প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং মেথ্স-এর সাথে আলোচনা করেন, এবং দুই পক্ষ ‘চীন-জার্মানি যৌথ প্রেস বিবৃতি’ প্রকাশ করে।
দুই দেশের নেতারা জানান, বর্তমানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে। বিশ্বের দুটি প্রভাবশালী দেশ হিসেবে, চীন ও জার্মানির উচিত, কৌশলগত যোগাযোগ ও কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা শক্তিশালী করা; উন্মুক্তকরণ ও সহযোগিতা বজায় রাখা; বহুপাক্ষিকতা ও মুক্ত-বাণিজ্য সমর্থন করা; জাতিসংঘের মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতি মেনে চলা।
তাঁরা আরও বলেন, চীন ও জার্মানির কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গভীরতর হলে, শুধু দুই দেশের জনগণের কল্যাণ হবে না, বরং বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধিতেও তা অবদান রাখবে। উভয় পক্ষ চীন-জার্মানি আন্তঃসরকারি পরামর্শ ব্যবস্থার মতো প্রাতিষ্ঠানিক সংলাপ ব্যবস্থার ভূমিকা অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক এবং পরস্পরের বন্ধুত্বপূর্ণ ও উন্মুক্ত যোগাযোগ চালিয়ে যেতে আগ্রহী। মুখপাত্র আরও বলেন, বাস্তবমুখী সহযোগিতা হলো চীন-জার্মান সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এবার ৩০ জন জার্মান প্রতিনিধি চ্যান্সেলর ফ্রিডরিচ-এর সাথে চীন সফর করেন, যা চীন-জার্মানি সহযোগিতা গভীরতর করার আকাঙ্ক্ষা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন।
সফরকালে, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরা যৌথভাবে সবুজ রূপান্তর, রীতিনীতি, খেলাধুলা ও গণমাধ্যমের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতার দলিল স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন এবং চীন-জার্মানি অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কমিটির সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেন। জার্মান কোম্পানিগুলৌ চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বাস করে এবং চীনে বিনিয়োগ বাড়াতে চায়।
সূত্র: সিএমজি