আজ (মঙ্গলবার) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়া খুন সভাপতিত্ব করেন। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জাপান সরকার হত্যার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অস্ত্র রপ্তানিতে “শিথিলতা” এনেছে—এ বিষয়ে চীনের মন্তব্য কী?কুয়াও চিয়া খুন বলেন, চীন এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অতীতে জাপানি সামরিকতন্ত্র ব্যাপক আগ্রাসন ও সম্প্রসারণ চালিয়ে, চীন এবং এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধ করেছিল। ঠিক এই আগ্রাসী ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে, জাপানি সামরিকতন্ত্রের পুনরুত্থান ঠেকাতে কায়রো ঘোষণা,পটসডাম ঘোষণা এবং জাপানের আত্মসমর্পণ দলিল-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক আইনি নথিতে স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যে, জাপানকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে এবং পুনরায় সশস্ত্র হওয়ার মতো কোনো শিল্প বজায় রাখা যাবে না।
অনেক বিশেষজ্ঞ ও গবেষক আশঙ্কা করছেন, জাপান আবার যুদ্ধযন্ত্র চালু করে তা বিদেশে রপ্তানি করতে পারে। জাপানের দ্রুত “পুনঃসামরিকীকরণ” একটি বাস্তবতা—এর স্পষ্ট পরিকল্পনা ও কার্যক্রম রয়েছে। চীনসহ আন্তর্জাতিক সমাজ এ বিষয়ে উচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে এবং জাপানের তথাকথিত “নতুন সামরিকতন্ত্র”-এর যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
(শিশির/ আলিম/আকাশ)