সবুজ আহমেদ: প্রায় ২০০ বছরের পুরনো হাতিরদিয়া জমিদার বাড়ি। এখানে বসেই একসময় ১৪শ বিঘা জমির দেখাশোনা করা হতো। জমিদারবাড়িটি নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার হাতিরদিয়ার বিলাগি গ্রামে। জমিদার বাড়ির আয়তন ১৩ বিঘা। বিলাগী জমিদার বাড়ি নামেও এটি পরিচিত। ভূ-সম্পত্তির দিক দিয়ে বৃহত্তর ঢাকার নবাবদের পরেই ছিল বিলাগীর এই জমিদারদের স্থান।
এই জমিদার বংশের পূর্বপুরুষ মোহাম্মদ দৌলত ভুইয়া ভারতবর্ষের বর্ধমান থেকে এখানে এসে বসতি স্থাপন করেন আঠারো শতকের মাঝামাঝিতে। ব্রিটিশ সরকারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে বিশাল ভূ-সম্পত্তি লাভ করেন তিনি। দৌলত ভুঁইয়ার ছিলো চার ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলেরা হলেন: খান বাহাদুর শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া; হাজী আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া; উজির মাহমুদ ভূঁইয়া; মজুর উদ্দিন ভূঁইয়া। এদিকে শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার ছিল তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলেরা হলেন: শরাফত আলী ভূঁইয়া; শুজাত আলী ভূঁইয়া; শাদত আলী ভূঁইয়া। শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার উপাধি ছিলো 'খান বাহাদুর'। এটি ব্রিটিশদের দেওয়া সম্মানসূচক উপাধি।
শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার দুই ছেলে সুজাত আলী ভূঁইয়া ও শাদত আলী ভুইয়া ছিলেন নি:সন্তান। কিন্তু শরাফত আলী ভূঁইয়ার ছিলো তিন মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলের নাম রাজী উদ্দিন ভূঁইয়া। রাজী উদ্দিন ভূঁইয়ারও কোনো সন্তান ছিলো না। এদিকে নিঃসন্তান শাদত আলী ভূঁইয়া পুত্র সন্তান হিসেবে দত্তক নিয়েছিলেন আলাউদ্দিন ভূঁইয়াকে। পরবর্তীতে আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার ঘরে জন্ম নেয় কয়েক জন সন্তান।
১৯২৫ সালে বংশ পরম্পরা জমিদারী দেখাশুনার দায়িত্ব পান রাজিউদ্দিন ভূঁইয়া। ১৯৬২ সালের নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১২ অর্থাত মনোহরদী-শিবপুর-রায়পুরা আসনে মুসলিম লীগের হয়ে পূর্ব-পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তার স্ত্রী জোহরা বেগম কাজী ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম মহিলা ডাক্তার ।
১৯৭২ সালে হাতিরদিয়ায় তাঁর জমিতে বড় ভাগ্নে মোহাম্মদ নাজির উদ্দিন চৌধুরী মামার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠা করেন রাজী উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ। হাতিরদিয়া রাজী উদ্দিন ভূঁইয়া প্রাইমারি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। মোহাম্মদ নাজির উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের প্রথম ও পাকিস্তান আমলের শেষ চেয়ারম্যান। জনসাধারণের মনে স্থান করে নেওয়ায় পরপর চারবার তিনি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
হাজী আহসান উল্লাহ ভূঁইয়ার ছিলো দুই ছেলে ও এক মেয়ে। হাজী আহসান উল্লাহ ভূঁইয়ার বড় ছেলে হাজী দানিস মিঞা। এদিকে সরাফত আলী ভূঁইয়ার তিন মেয়ের বংশধরেরা এখনো বেঁচে আছেন। মোহাম্মদ তান্না চৌধুরীরাই হলেন দৌলত ভুঁইয়ার শেষ বংশধর। জমিদার বংশের ৭ম প্রজন্ম তান্না চৌধুরীর দাদা হলেন নাজির উদ্দিন চৌধুরী।
হাতিরদিয়া এলাকায় এই জমিদার বংশের বিভিন্ন ব্যক্তিদের নামে তাদের দেওয়া জায়গায় বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এই জমিদার বংশের পূর্বপুরুষ মোহাম্মদ দৌলত ভুইয়া ভারতবর্ষের বর্ধমান থেকে এখানে এসে বসতি স্থাপন করেন আঠারো শতকের মাঝামাঝিতে। ব্রিটিশ সরকারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে বিশাল ভূ-সম্পত্তি লাভ করেন তিনি। দৌলত ভুঁইয়ার ছিলো চার ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলেরা হলেন: খান বাহাদুর শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া; হাজী আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া; উজির মাহমুদ ভূঁইয়া; মজুর উদ্দিন ভূঁইয়া। এদিকে শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার ছিল তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলেরা হলেন: শরাফত আলী ভূঁইয়া; শুজাত আলী ভূঁইয়া; শাদত আলী ভূঁইয়া। শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার উপাধি ছিলো 'খান বাহাদুর'। এটি ব্রিটিশদের দেওয়া সম্মানসূচক উপাধি।
শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার দুই ছেলে সুজাত আলী ভূঁইয়া ও শাদত আলী ভুইয়া ছিলেন নি:সন্তান। কিন্তু শরাফত আলী ভূঁইয়ার ছিলো তিন মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলের নাম রাজী উদ্দিন ভূঁইয়া। রাজী উদ্দিন ভূঁইয়ারও কোনো সন্তান ছিলো না। এদিকে নিঃসন্তান শাদত আলী ভূঁইয়া পুত্র সন্তান হিসেবে দত্তক নিয়েছিলেন আলাউদ্দিন ভূঁইয়াকে। পরবর্তীতে আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার ঘরে জন্ম নেয় কয়েক জন সন্তান।
১৯২৫ সালে বংশ পরম্পরা জমিদারী দেখাশুনার দায়িত্ব পান রাজিউদ্দিন ভূঁইয়া। ১৯৬২ সালের নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১২ অর্থাত মনোহরদী-শিবপুর-রায়পুরা আসনে মুসলিম লীগের হয়ে পূর্ব-পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তার স্ত্রী জোহরা বেগম কাজী ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম মহিলা ডাক্তার ।
১৯৭২ সালে হাতিরদিয়ায় তাঁর জমিতে বড় ভাগ্নে মোহাম্মদ নাজির উদ্দিন চৌধুরী মামার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠা করেন রাজী উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ। হাতিরদিয়া রাজী উদ্দিন ভূঁইয়া প্রাইমারি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। মোহাম্মদ নাজির উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের প্রথম ও পাকিস্তান আমলের শেষ চেয়ারম্যান। জনসাধারণের মনে স্থান করে নেওয়ায় পরপর চারবার তিনি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
হাজী আহসান উল্লাহ ভূঁইয়ার ছিলো দুই ছেলে ও এক মেয়ে। হাজী আহসান উল্লাহ ভূঁইয়ার বড় ছেলে হাজী দানিস মিঞা। এদিকে সরাফত আলী ভূঁইয়ার তিন মেয়ের বংশধরেরা এখনো বেঁচে আছেন। মোহাম্মদ তান্না চৌধুরীরাই হলেন দৌলত ভুঁইয়ার শেষ বংশধর। জমিদার বংশের ৭ম প্রজন্ম তান্না চৌধুরীর দাদা হলেন নাজির উদ্দিন চৌধুরী।
হাতিরদিয়া এলাকায় এই জমিদার বংশের বিভিন্ন ব্যক্তিদের নামে তাদের দেওয়া জায়গায় বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।