সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং বলেছেন, আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কেন্দ্র নির্মাণের ঐতিহাসিক মিশন গ্রহণ করে শাংহাইয়ের উচিত সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাতীয় কৌশলের সেবা করা, অব্যাহতভাবে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও হাই-এন্ড শিল্প এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা জোরদার করা এবং দ্রুত এমন একটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কেন্দ্রের নির্মাণ সম্পন্ন করা, যা গোটা বিশ্বে প্রভাব ফেলতে পারে। সিপিসি’র ১৮তম জাতীয় কংগ্রেসের পর প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে শাংহাইয়ের ইতিবাচক নেতৃত্বের ফলে ইয়াংজি নদী বদ্বীপ অঞ্চলের উদ্ভাবনী সক্ষমতা অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে, যা উচ্চ-গুণগত উন্নয়নে শক্তিশালী প্রাণশক্তি যোগাচ্ছে।
সিপিসির ১৮তম জাতীয় কংগ্রেসের পর সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং একাধিকবার শাংহাই সফর করেছেন। ২০১৪ সালের মে মাসে তিনি শাংহাইকে গোটা বিশ্বে প্রভাব ফেলতে সক্ষম একটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কেন্দ্রে পরিণত করার দিকনির্দেশনা দেন। ২০১৮ সালে ইয়াংজি নদী বদ্বীপ-এর সমন্বিত উন্নয়ন জাতীয় কৌশলে পরিণত হওয়ার পর, অঞ্চলটি পরিদর্শনের সময় সি চিন পিং বহুবার প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সবচেয়ে সক্রিয় এলাকায় গিয়ে প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, “শাংহাই ও ইয়াংজি নদী বদ্বীপ অঞ্চলকে শুধু উচ্চমানের পণ্য নয়, বরং উচ্চমানের প্রযুক্তিও সরবরাহ করতে হবে, যাতে গোটা দেশের উচ্চ-গুণগত উন্নয়নে সহায়তা দেওয়া যায়।” তিনি নতুন যাত্রাপথে শাংহাই আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন কেন্দ্রের নির্মাণ এগিয়ে নেওয়া এবং নতুন ধরনের উৎপাদনশক্তি বিকাশের জন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। বর্তমানে ইয়াংজি নদী বদ্বীপ অঞ্চলের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মান অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে। বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার প্রকাশিত বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক ২০২৫-এ দেখা যায়, শাংহাই–সুচৌ ষষ্ঠ স্থানে, হাংচৌ ১৩তম স্থানে, নানজিং ১৫তম স্থানে এবং হ্যফেই ৩৯তম স্থানে রয়েছে। (আকাশ/তৌহিদ/ফেইফেই)