এপ্রিল ৭: চীন 'গ্রুপ অফ ৭৭' এবং চীনের পক্ষ থেকে উরুগুয়ের দেওয়া বিবৃতিকে পূর্ণ সমর্থন করে। চীন আশা করে যে, জাতিসংঘের এই সংস্কার উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্বেগ সম্পূর্ণরূপে নিরসন করবে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কার্যকরভাবে ঐকমত্য তৈরি করবে, সব সদস্য রাষ্ট্রের অভিন্ন ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করবে এবং এই সংস্কারের সাফল্য যেন ইতিহাসের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে তা নিশ্চিত করবে। জাতিসংঘে চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই গতকাল (সোমবার) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের "৮০তম বার্ষিকী সংস্কার উদ্যোগ" বা ‘ইউএন৮০’ বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
সুন লেই বলেন, ইউএন৮০ সংস্কার প্রক্রিয়া স্থিরভাবে এগিয়ে চলেছে এবং ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। চীন আশা করে যে, সব সদস্য রাষ্ট্র এবং সচিবালয় সংস্কারের মূল উদ্দেশ্যকে সমুন্নত রাখবে, কর্মের ওপর মনোযোগ দেবে এবং বিদ্যমান সাফল্যগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছভাবে এই সংস্কারকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
সুন লেই আরও বলেন, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল এবং ইউএন উইমেন-এর সম্ভাব্য একীভূতকরণের বিষয়ে চীন বিশ্বাস করে যে, এই সংস্কারে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের কার্যকারিতা উন্নত করার দাবি ও উদ্বেগের প্রতি যথাযথ সাড়া দেওয়া উচিত। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলো আন্তরিকভাবে বাস্তবায়ন করা, উভয় সংস্থার নিয়মকানুন এবং কার্যনির্বাহী ম্যান্ডেটের পূর্ণ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। লিঙ্গ সমতা, নারী ক্ষমতায়ন, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং উন্নতমানের জনসংখ্যা উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য সমর্থন জোরদার করা উচিত। সর্বোপরি, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রাসঙ্গিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করা উচিত।
তিনি জানান, চীন সংস্কার টাস্ক ফোর্সের প্রাথমিক একীভূতকরণ মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশকে স্বাগত জানায়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাস্তবভিত্তিক প্রমাণ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ যুক্তির ওপর ভিত্তি করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রদানের প্রত্যাশা করে বেইজিং, যাতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, তহবিল বরাদ্দ, কর্মী সমন্বয় এবং অন্যান্য দিকগুলোর ওপর এই সম্ভাব্য একীভূতকরণের প্রভাব এবং এর সংশ্লিষ্ট সমাধানগুলো আরও স্পষ্ট করা যায়।
সূত্র: সিএমজি