মার্চ ২৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনে ‘২০২৬ চুংকুয়ানছুন সম্মেলনে বিশ্বের নানা দেশের বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়িক নেতারা এক হয়ে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও শিল্প নিয়ে মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছেন। এটি এখন বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
পাঁচ দিনব্যাপী এই আয়োজনের মূল পর্বের পাশাপাশি প্রায় ৬০টি উপপর্ব ছিল, যেখানে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক সংযোজন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস এবং অন্যান্য ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। প্রায় ৩০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্ষেত্রের ধারণা ও প্রযুক্তির বিনিময় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে এ সম্মেলন।
বৈশ্বিক ফিউশন এনার্জি সংস্থা-আটিইআরে’র প্রকৌশল প্রধান আলাঁ বেকুলে একটি রোবটের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, ফিউশন এনার্জির মতো জটিল ক্ষেত্রে রোবট ও দূরনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক একজন নীতি বিশ্লেষক জানান, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে ভবিষ্যতে চীন ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান চীনে গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করে তাদের উদ্ভাবন বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
২০০৭ সালে ‘উদ্ভাবন ও উন্নয়ন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা জিজিসি সম্মেলন এখন বৈশ্বিক ও উচ্চপর্যায়ের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছে। ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এবারের সম্মেলন চলে ২৯ মার্চ পর্যন্ত।
লুৎফর/হাশিম
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি।