জানুয়ারি ২৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের জ্বালানি রূপান্তরে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, তেমনি নীরবে বড় অবদান রাখছে শহরের ভেতরে গড়ে ওঠা বর্জ্য পোড়ানো বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। এসব কেন্দ্র গৃহস্থালি বর্জ্যকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে একদিকে শক্তি উৎপাদন করছে, অন্যদিকে ল্যান্ডফিলে পাঠানো বর্জ্যের পরিমাণও কমাচ্ছে।
বায়োমাস এনার্জি ইন্ডাস্ট্রি প্রোমোশন অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ চীনে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২৭.৩৮ গিগাওয়াটে। এ খাত থেকে বছরে উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ১৪ কোটি ৫৩ লাখ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ।
চীনের ২০২৪ সালের আরবান অ্যান্ড রুরাল কনস্ট্রাকশন স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইয়ারবুক অনুযায়ী, দেশটিতে দৈনিক বর্জ্য পোড়ানোর সক্ষমতা পৌঁছেছে ১১ লখ ৫৮ হাজার টনে, যা ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত ৮ লাখ টনের লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত চীনে চালু ছিল ১,১২৯টি বর্জ্য পোড়ানো বিদ্যুৎকেন্দ্র, যার বড় অংশ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। শুধু বেইজিংয়েই রয়েছে ১৩টি কেন্দ্র, যেগুলোর মোট দৈনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত সক্ষমতা প্রায় ২৩,৯৭৫ টন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৫২৬ মেগাওয়াট।
বর্জ্য পোড়ানোর পাশাপাশি এসব কেন্দ্রে ধাতু পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থাও রয়েছে। পোড়ানো বর্জ্যের প্রায় ২০ শতাংশ ছাই হিসেবে থেকে যায়, যেখান থেকে তামা, লোহা ও অ্যালুমিনিয়ামের মতো ধাতু আলাদা করে পুনর্ব্যবহার করা হয়।
চীন তাদের এ এ প্রযুক্তি রপ্তানিও করছে। ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত চীনা কোম্পানিগুলো এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ৭৯টি বর্জ্য-থেকে-বিদ্যুৎ প্রকল্পে নেতৃত্ব দিয়েছে।
ফয়সল/নাহার
তথ্য ও ছবি: সিজিটিএন
বর্জ্য থেকে পরিচ্ছন্ন বিদ্যুতের যোগান বাড়ছে চীনে
Connect With Us:
Advertisement
Our Editorial Standards
We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.
Fact-Checked
This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.
Expert Review
Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.
Regularly Updated
We regularly update our content to ensure it remains current.
Unbiased Coverage
We strive to present balanced information.