মঙ্গলবার সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বেইজিং-এ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে তাঁরা উপসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলো পেশ করেন:
১. অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করা: চীন ও পাকিস্তান অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও শত্রুতার অবসানের আহ্বান জানায় এবং সংঘাতের বিস্তার রোধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর অঙ্গীকার করে।
২. দ্রুত শান্তি আলোচনা শুরু করা: ইরান ও উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, জাতীয় স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা সমুন্নত রাখতে হবে। সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতিই একমাত্র কার্যকর উপায়।
৩. অসামরিক লক্ষ্যবস্তুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: সামরিক সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নীতি লঙ্ঘন করা যাবে না। চীন ও পাকিস্তান সংঘাতের সকল পক্ষকে বেসামরিক ও অসামরিক লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছে।
৪. নৌচলাচল পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হরমুজ প্রণালী এবং এর সংলগ্ন জলরাশি পণ্য ও জ্বালানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ। চীন ও পাকিস্তান সকল পক্ষকে হরমুজ প্রণালীর জলরাশিতে আটকে পড়া জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা রক্ষা করতে, যত দ্রুত সম্ভব বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে, এবং যত দ্রুত সম্ভব প্রণালীটিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরুদ্ধার করার আহ্বান জানাচ্ছে।
৫. জাতিসংঘ সনদের মূলনীতি মেনে চলা। চীন ও পাকিস্তান প্রকৃত বহুপাক্ষিকতার চর্চার পক্ষে, যৌথভাবে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা শক্তিশালীকরণে কাজ করে এবং জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের উদ্দেশ্য ও নীতির ওপর ভিত্তি করে একটি ব্যাপক শান্তি কাঠামো প্রতিষ্ঠা ও স্থায়ী শান্তি অর্জনের বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোকে সমর্থন করে।
সূত্র: সিএমজি