শীতে কাঁপছে সারা দেশ, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

শীতে কাঁপছে সারা দেশ, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা
ডিসেম্বর ২৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশে ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। মেঘলা আকাশ আর কুয়াশার কারণে কোথাও কোথাও সূর্যের দেখা মিলছে না। ভোর রাত থেকে বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সব জেলাতেই শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষজন। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। শীতের কারণে জরুরি কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই। তবে সংসার ও পরিবারের চাহিদা মেটাতে নিম্ন আয়ের মানুষরা শীত উপেক্ষা করেই কাজের সন্ধানে ছুটছেন। খড়কুটোর আগুনে শীত নির্বারণের চেষ্টা করছেন ছিন্নমূলরা। গরম কাপড় ও খাবারের আকুতি তাদের। শীত দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসনের পরিকল্পিত উদ্যোগ চায় শীতার্তরা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার সকালে যশোরে সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্তমানে দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা, যশোর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী। গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ৬, গোপালগঞ্জে ৯ দশমিক ৮ এবং পাবনার ঈশ্বরদীতে ১০ , কুড়িগ্রামে ১১ দশমিক ৪, লালমনিরহাটে ১১ দশমিক ০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায়। এদিকে তীব্র শীতের কারণে বেড়েছে বিভিন্ন শীতজনিত রোগব্যাধি। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগীর ভিড়। শিশু ও বয়স্করা সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকরা শীতে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যরাত থেকে সকাল সময়জুড়ে সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোনো কোনো এলাকায় এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি সাত জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কিছু এলাকায় অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। এর ফলে নৌ, সড়ক ও বিমান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে জানুয়ারির শুরু থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুভ/ফয়সল

Rate This Article

How would you rate this article?

ED Desk

ED Desk

Staff Reporter

Experience in write about 5 years.

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.