চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হাইনানে ১৫ বছর আগে অফশোর শুল্কমুক্ত কেনাকাটা নীতিমালা প্রতিষ্ঠা হয়। এই স্বল্প সময়ে এ খাতে শুল্কমুক্ত ব্যবস্থাপনায় ২৮৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ইউয়ান (৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি) মূল্যের ৩৪৭ বিলিয়ন পণ্য বিক্রি করেছে শুল্ক বিভাগ।
২০১১ সালের ২০ এপ্রিল এ ব্যবস্থাপনায় হাইনানে পণ্য বিক্রি শুরু হয়। ইতোমধ্যে হাইনানজুড়ে গড়ে উঠেছে ১২টি অফশোর শুল্পমুক্ত বিক্রয়কেন্দ্র।
এ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে হাইনান দ্বীপটিকে বৈশ্বিক আবহে প্রভাবশালী ও উচ্চমানসম্পন্ন বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা ২০২০ সালে জুনে উন্মোচন করে চীন সরকার। গত বছরের ডিসেম্বরে এ দ্বীপে প্রতিষ্ঠা পাওয়া শুল্ক বিভাগের মাধ্যমে পদক্ষেপটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করে। এর মাধ্যমে চীন তার মূল লক্ষ্যের প্রথম পদক্ষেপটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
এই উদ্যোগ দ্বীপটিকে একটি বিশেষ শুল্ক তত্ত্বাবধান অঞ্চলে পরিণত করেছে, যা হাইনান ও চীনের শুল্ক সীমানার বাইরের অঞ্চলের মধ্যে অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ করে দিয়েছে।
দ্বীপজুড়ে শুল্ক বিভাগের এমন বিশেষ কার্যক্রম চালুর পর থেকে হাইনান হয়ে চীনের মূল ভূখণ্ডের সীমান্ত পার হওয়া ভ্রমণকারীরা অফশোর শুল্কমুক্ত নীতির সুবিধায় কেনাকাটা করেন, যেখানে তাদের খরচ হয়েছে ৬৭ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ইউয়ান।
সাকিব/লুৎফর
তথ্য : সিনহুয়া, ছবি: সিজিটিএন